সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য সুখবর। অবশেষে তাঁদের বকেয়া ডিএ (DA) মেটানোর কাজ শুরু করল রাজ্য সরকার। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র বিল প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে বলেই খবর।
বকেয়া মহার্ঘভাতা সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো মার্চ মাসেই বকেয়া ডিএ-র একটি অংশ সরকারি কর্মীরা প্রভিডেন্ট ফান্ডে পাঠানো হয়েছে। পেনশনভোগীরা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও পেয়ে গিয়েছেন টাকা। তবে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত (গ্রান্ট-ইন-এইড) স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভার কর্মীরা সেই বকেয়া ডিএ পাননি। সরকার বদলের পরে একাধিকবার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাননি তাঁরা। সূত্রের খবর, সেই প্রক্রিয়া এবার শুরু হয়েছে।
বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অধীনস্থ আইটি কর্মীদের (যাঁরা বেতন ও অন্যান্য প্রশাসনিক পোর্টালে বিল জমা করার দায়িত্বে থাকেন) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই নির্দিষ্ট পোর্টালগুলিতে এই মুহূর্তে অন্য কোনও আর্থিক বকেয়ার বিল জমা না দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র বিল প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। অর্থ দপ্তর সূত্রে খবর, সরকারি কোষাগার থেকে যাঁরা সরাসরি স্থায়ী বেতন পান না, এমন অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মী- যেমন সরকার অনুমোদিত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধিবদ্ধ বোর্ড, কর্পোরেশন ইত্যাদির কর্মীদের ‘রোপা ২০০৯’ অনুযায়ী দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ-র অর্থ মিটিয়ে দেওয়াই এখন প্রাধান্য পাচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
১৯৯০ থেকে বেপাত্তা সেনা জওয়ান স্বামী, ৩৬ বছর পর অপহরণের অভিযোগ দায়ের স্ত্রীর!
-
ফের ইন্ডিগোর বিমানে বিপত্তি, এবার বেঙ্গালুরুতে অবতরণের সময় লেজে আঘাত! কেমন আছেন যাত্রীরা?
-
আপাতত স্থগিত ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, বৈঠকে রফাসূত্র মিলতেই ঘোষণা কর্মী সংগঠনের, স্বস্তিতে আমজনতা
-
আরটিআইয়ের বাইরে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, নির্দেশিকা জারি করেও বাতিল, বিরোধিতার মুখে পিছু হটলেন বিজয়
-
দর্শকদের না-পসন্দ! এবার ‘বিস বস বাংলা’ থেকে ছিটকে গেলেন তাপসকন্যা সোহিনী