Devotees throng Kalighat temple on Lakshmi Purnima

লক্ষ্মীরূপে পূজিতা হবেন মা কালী, কোজাগরী পূর্ণিমাতে কালীঘাটে ভক্ত সমাগম

দেবীকে নিরামিশ ভোগ দেওয়া হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০২১, ১৫:১২

options
link
লক্ষ্মীরূপে পূজিতা হবেন মা কালী, কোজাগরী পূর্ণিমাতে কালীঘাটে ভক্ত সমাগম

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় (Lakshmi Puja) মাতোয়ারা বঙ্গবাসী। বাড়ি বাড়ি চলছে মা লক্ষ্মীর আরাধনা। ফল, ফুল, নাড়ু, ভোগে সাজানো হয়েছে নৈবেদ্য। কালীঘাটেও লক্ষ্মী আরাধনা। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ তিথিতে  কালীঘাটে ভক্ত সমাগম।

Advertisement

নিয়ম মেনে প্রতিবছরের মতো এবারও কালীঘাটে কোজাগরী পূর্ণিমা তিথিতে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এদিন লক্ষ্মীরূপে কালীঘাটে পূজিতা হন মা কালী। বুধবার বিকেলে লক্ষ্মীরূপে পূজিতা হবেন মা। দেওয়া হবে নিরামিশ ভোগ। উল্লেখ্য, এর আগে দুর্গাপুজোয় দেবী দুর্গারূপে মা কালীকে পুজো করা হয়। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ তিথিতে কালীঘাটে বহু ভক্তই ভিড় জমিয়েছেন। সকলের হাতে পুজোর ডালি। মনে মনে একটাই প্রার্থনা, “ভাল রেখো মা।” সংক্রমণের কথা মাথায় রেখে কালীঘাটে মানা হচ্ছে করোনাবিধি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: গড়িয়াহাটের জোড়া খুনে পুলিশের নজরে প্রাক্তন পরিচারিকা, আটক করে জেরা]

উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুজোর আগে শুক্লা চতুর্দশী তিথিকে তারা মায়ের আবির্ভাব তিথি হিসাবে পালন করা হয়। মঙ্গলবার এই তিথিতেই তারা মায়ের কাছে করোনামুক্ত পৃথিবীর প্রার্থনা জানান ভক্তরা। এই তিথিতে সূর্যোদয়ের পর গর্ভগৃহ থেকে বের করে ‘বিরাম মঞ্চে’ মা তারাকে নিয়ে আসা হয়। বিরাম মন্দিরে আনার পর জীবিত কুণ্ড থেকে জল এনে স্নান করিয়ে রাজবেশ পরানোও হয়। বিরাম মঞ্চে শুধুমাত্র এই দিনেই পশ্চিম দিকে মুখ করে মা তারাকে বসানো হয়। বছরের অন্য সময়ে মূল মন্দিরের উত্তর দিকে মুখ করে রাখা হয়। এবারই প্রথম প্রথা ভেঙে খুলে দেওয়া হয় বিরাম মন্দিরের সবক’টি দরজা। 

Advertisement

এবারও কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠের মন্দিরে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ ছিল। তাই তারা মায়ের আবির্ভাব দিবসে মাকে দর্শনের উদ্দেশ্যে ভোররাত থেকেই তারাপীঠে ভিড় জমাতে শুরু করেন ভক্তরা। অন্য দিনের মতো এদিন দুপুরে মাকে অন্নভোগ দেওয়া হয়নি। দুপুরে লুচি, সুজি ও মিষ্টি দিয়ে মায়ের ভোগ নিবেদন করা হয়। ফের সন্ধেয় গর্ভগৃহে নিয়ে এসে স্নান করিয়ে ভোগ নিবেদন করা হয়। সন্ধেয় খিচুড়ি, পোলাও, পাঁচ রকমের ভাজা, মাছ, বলির পাঁঠার মাংস দিয়ে ভোগ নিবেদন করা হয়।

[আরও পড়ুন: পুজোর পরেও হবে দেবী দর্শন! কলকাতাজুড়ে বসছে ‘শ্রেষ্ঠ’ প্রতিমা ও মণ্ডপ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.