রবিবার হালিশহরে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে দেখা করতে যাওয়ার পথেই প্রবল জনরোষের মুখে পড়েন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাচঢাকা গাড়িতে ইট, কাদা পড়ে মুহুর্মুহু। রাস্তার দু’পাশ থেকে তাঁকে লক্ষ্য করে ধেয়ে আসে ‘চোর’, ‘ডাকাতরানি’ স্লোগান। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) বক্তব্য, ডাকাতরানি মন্তব্যের অনুপ্রেরণা নাকি কুণাল ঘোষই!
আরও পড়ুন:
পঞ্চায়েত মন্ত্রীর কথায়, “কুণাল ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকাত রানি বলেছিলেন তখন আপনারা মিডিয়া তাকে কিছু বলেননি। কাল সাধারণ মানুষ ওঁকে ডাকাত রানি বললে সেটা দোষ হয়ে গেল? কুণাল ঘোষ ওঁকে ডাকাত রানি বলে দলে প্রমোশন পেল। মুখপাত্র হল। সাধারণ সম্পাদক হল। পরে বিধায়ক হয়ে গেল। সেখান থেকে পাবলিক অনুপ্রেরণা পেয়ে কাল ডাকাত রানি বলেছে।”
পঞ্চায়েত মন্ত্রীর কথায়, “কুণাল ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকাত রানি বলেছিলেন তখন আপনারা মিডিয়া তাকে কিছু বলেননি। কাল সাধারণ মানুষ ওঁকে ডাকাত রানি বললে সেটা দোষ হয়ে গেল? কুণাল ঘোষ ওঁকে ডাকাত রানি বলে দলে প্রমোশন পেল। মুখপাত্র হল। সাধারণ সম্পাদক হল। পরে বিধায়ক হয়ে গেল। সেখান থেকে পাবলিক অনুপ্রেরণা পেয়ে কাল ডাকাত রানি বলেছে।” হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলা ঘটনাকে সাধারণ মানুষের ‘ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ’ বলে দাবি করলেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। নিজের অতীতের অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি নিজে ইট খেয়েছি। আমার গায়ে এখনও দাগ আছে। আমার বহুবার গাড়ি ভেঙেছে। দুটো ডিম খেয়েছে বলে কি পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি রসাতলে চলে গেছে? মানুষের অধিকার আছে নিজের রাগ প্রকাশ করার।” তিনি স্পষ্ট জানান, কর্মীদের ওপর এত অত্যাচারের পর তাঁকে যেন কেউ ‘মানবতা’ বা ‘সৌজন্যের’ পাঠ দিতে না আসে।
রবিবার হালিশহরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হেনস্তার মমতাকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এত চুরি করেছেন চোর তো শুনতেই হবে।” বিক্ষোভের ঘটনার প্রবল সমালোচনা করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। ক্ষুব্ধ রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, “এটা করা যায় না। এটা বাংলার রীতি নয়।” তবে ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগ নেই বলেও দাবি করেন শমীক। এপ্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিগত ১৫ বছর ধরে অনেক ভুল করেছেন, নারীদের সম্মান রক্ষা করতে পারেননি বা সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার চালিয়েছেন। এমনকী অভয়ার মৃত্যুর দিনটিতেও তিনি সঠিক বিচার দিতে পারেননি। কিন্তু তাই বলে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ছোড়া, ‘চোর’ স্লোগান দেওয়া বা জুতো ছোড়া কোনওভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।”
সর্বশেষ খবর
-
দার্জিলিংয়ে জোরবাংলো ট্রাফিক পয়েন্টের কাছে ধসে উধাও অর্ধেক রাস্তা! বিপর্যস্ত জনজীবন
-
ডাক্তারিতে ভর্তি করানোর নামে প্রতারণা, ২৫ লক্ষ টাকা হাতাল কাউন্সিলিং সংস্থা!
-
সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারের মাথা! চিকিৎসক অভীক দে-র বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন
-
অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা, উত্তর থেকে দক্ষিণের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন!
-
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কলম্বিয়ায় হাহাকার, তাসের ঘরের মতো ভাঙছে বাড়ি! মৃত অন্তত ১১১