শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে কাটল অচলাবস্থা, খুলল চারুচন্দ্র কলেজ

সেইসঙ্গে কলেজ বন্ধের নোটিস ছিঁড়ে ফেলা হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৮, ১৪:১৪

options
link
শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে কাটল অচলাবস্থা, খুলল চারুচন্দ্র কলেজ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে কাটল অচলাবস্থা। খুলে গেল চারুচন্দ্র কলেজ। অধ্যক্ষ সত্রাজিৎ ঘোষ, কেয়ারটেকার রঞ্জিৎ রাইকে ফোনে নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপরই কলেজ গেটের তালা খুলে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে কলেজ বন্ধের নোটিস ছিঁড়ে ফেলা হয়। সূত্রের খবর, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরই চারুচন্দ্র কলেজ খুলে দেওয়া হয়।

Advertisement

আজ সকালেই কলেজের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয় চারুচন্দ্র কলেজ। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে নোটিসে লেখা হয়েছিল, “গতকাল কলেজে একটি কদর্য ঘটনা ঘটেছে। কলেজের একজন অশিক্ষককর্মীকে শারীরিক নিগ্রহ করে কিছু দুষ্কৃতী। এক অধ্যাপককেও হেনস্তা করে তারা। এর জেরে কলেজের শিক্ষক ও অশিক্ষককর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। গতকালের ঘটনা সম্পর্কে কলেজের অধ্যাপক ও অশিক্ষক কর্মীরা অবগত আছেন। এনিয়ে কলেজ পরিচালন সমিতি ও উচ্চতর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। এখন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।” এই ঘটনায় ক্ষোভপ্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, কলেজ বন্ধ রেখে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি বরদাস্ত করা হবে না। কলেজ কর্তৃপক্ষ গোটা বিষয়টি শিক্ষা দপ্তরে জানাতে পারতেন। তারপরই বিকেলে নির্দেশ যায় অধ্যক্ষর কাছে। সন্ধেয় খুলে দেওয়া হয় কলেজের গেট।

Advertisement

[অধ্যাপকদের হেনস্তা পড়ুয়াদের, অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ চারুচন্দ্র কলেজ]

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ কলকাতার পুরনো কলেজগুলির অন্যতম চারুচন্দ্র কলেজ। মর্নিং ও ডে সেকশন মিলিয়ে পড়ুয়ার সংখ্যাও নেহাত কম নয়। জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে কলেজের এক নিরাপত্তারক্ষীকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুর থেকে ঘণ্টা পাঁচেক চারুচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষের ঘরে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র সংসদের সদস্যরা। অধ্যক্ষকে ঘেরাও করা হয়। অভিযোগ, অধ্যক্ষের পাশে দাঁড়ানোয় কয়েকজন প্রবীণ অধ্যপক ও শিক্ষাকর্মীকে হেনস্তা করে বিক্ষোভকারীরা। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে চারুচন্দ্র কলেজ চত্বর। বুধবার থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ যায় কলেজ। এদিন সকালে কলেজে গেটে নোটিস ঝুলিয়ে দেন অধ্যক্ষ। তিনি জানান, নিরাপত্তারক্ষীকে পুনর্বহালের দাবিতে যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই ছাত্র সংসদের সদস্য। তবে কেউ-ই কলেজের পড়ুয়া নয়। তাঁরা বহিরাগত। কয়েকজন প্রবীণ অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীকে হেনস্তা করেছেন আন্দোলনকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.