নিজের নাবালিকা কন্যার গর্ভপাত করানোর অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ বাবা। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে রিপোর্ট দিতে। আগামী ২৪ মে মেয়েটির সম্ভাব্য সন্তান প্রসবের (ডেলিভারির) দিন। চিকিৎসকদের আদালত নির্দেশ দিয়েছে আদৌ তার আগে মেয়েটির গর্ভপাত করানো সম্ভব কি না খতিয়ে দেখে আদালতকে জানাতে হবে।
আরও পড়ুন:
আইন অনুযায়ী, গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহের পর কোনও অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাতের জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। কারণ, এরপর গর্ভপাত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। তাই এই মামলাতেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও।
আইন অনুযায়ী, গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহের পর কোনও অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাতের জন্য আদালতের অনুমতি প্রয়োজন। কারণ, এরপর গর্ভপাত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। তাই এই মামলাতেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আবেদনকারীর আইনজীবী জানান, দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে নিখোঁজ ছিল বছর সতেরোর ওই নাবালিকা। পুলিশে অভিযোগ জানিয়েও খুঁজে না পাওয়ায় হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মেয়েটির বাবা।
অবশেষে যখন পুলিশ ওই নাবালিকাকে খুঁজে পায়, তখন সে সন্তানসম্ভবা। বর্তমানে মেয়েটি ৩৩ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। তবু মেয়ের গর্ভপাত করাতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বাবা। কারণ, বাবার বক্তব্য মেয়ে শারীরিক নির্যাতনের স্বীকার। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হোমে রেখে দিয়েছিল। সেখান থেকে মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর তাঁরা জানতে পারেন যে, তাঁদের মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
পাচারের বড় ছক বানচাল, দমদম বিমানবন্দরেই উদ্ধার কোটি টাকার দুর্লভ ‘সাপের মাথা’!
-
অস্ত্রোপচারের মাঝেই সোনুর কণ্ঠে কিংবদন্তি রফির গান, ভিডিও দেখে তাজ্জব নেটভুবন
-
জেলবন্দি আত্মীয়, জামিন পাওয়াতে ছত্তিশগড় হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির উপর কালাজাদু ৪ যুবকের!
-
ঠিকমতো খাবার পাচ্ছে না দত্তক-প্রাণীরা! খাদ্যে নজরদারির অধিকার অভিভাবকদের
-
বিপজ্জনক গতিতে ছুটে এল উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়, গাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু প্রৌঢ়র