Kolkata Fire

আনন্দপুরে মোমো তৈরির কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, জতুগৃহে মৃত্যু ৩ নিরাপত্তাকর্মীর

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৬, ১৩:৩৫

options
link
আনন্দপুরে মোমো তৈরির কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, জতুগৃহে মৃত্যু ৩ নিরাপত্তাকর্মীর
আনন্দপুরের কারখানার ধ্বংসস্তূপ। ফাইল ছবি

ছুটির শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড। আনন্দপুরের একটি মোমো তৈরির কারখানায় বিধ্বংসী এই আগুনে লাগে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু সরু গলির মধ্যে এই কারখানা হওয়ায় আগুন নেভানোতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় দমকল কর্মীদের। এদিকে ঘটনার পর থেকে খোঁজ মিলছিল না তিন নিরাপত্তাকর্মীর। জানা যায়, রাতে ওই কারখানার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বিধ্বংসী এই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে তিনজনেরই ফোন বন্ধ ছিল। ফলে ক্রমশ বাড়ছিল উদ্বেগ।  সরকারি সূত্রে দক্ষিণ ২৪ পরগণা বারইপুর জেলা পুলিশ সুপার শুভেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে তিনজনেরই মৃত্যু হয়েছে। শুধু তাই নয়, ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিকেরও খোঁজ মিলছে না বলে জানা যাচ্ছে। 

Advertisement

আনন্দপুরের নাজিরাবাদ রোডে অবস্থিত মোমো তৈরির ওই কারখানাটি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে। রীতিমতো স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর দেওয়া হয় দমকল এবং পুলিশে। এক এক করে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। কিন্তু ততক্ষণে আগুন ভয়ঙ্কর আকার নেয়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। ঘটনার পর থেকে বেশ কয়েক ঘণ্টা কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ওই কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি বলেই দাবি স্থানীয়দের। যদিও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে যদিও কারখানার একটি অংশ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। পুড়ে গিয়েছে কারখানায় থাকা বাইক-সহ সরঞ্জামও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
ভোররাতে কারখানায় বিধ্বংসী এই আগুন লাগে।

কিন্তু  কীভাবে এই আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে। দমকলের কথায়, ওই কারখানায় প্রচুর পরিমাণে পাম তেল মজুত ছিল। রাখা ছিল একাধিক দাহ্য পদার্থও। ফলে আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। এদিকে নিখোঁজ তিন কর্মীর পরিবারের লোকজন জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে কারোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। বন্ধ ছিল ফোনও। ফলে ঘটনার মুহূর্তে তাঁদের অবস্থান নিয়ে তৈরি হয় ধোঁয়াশা। তিনজনেরই মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই শোকের ছায়া পরিবারে।  

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন