Firhad Hakim

অভিষেকের বাড়ি ভাঙার নোটিস! সাংবাদিক বৈঠকে ‘অসহায়’ মেয়র, ফিরহাদ বললেন, ‘আমার জানার কথা নয়’

কেএমসি অ্যাক্টে আমরা শুধুই পলিসি মেকার, মন্তব্য মেয়র ফিরহাদ হাকিমের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৬, ১৫:২১

options
link
অভিষেকের বাড়ি ভাঙার নোটিস! সাংবাদিক বৈঠকে ‘অসহায়’ মেয়র, ফিরহাদ বললেন, ‘আমার জানার কথা নয়’
ফাইল ছবি।

কলকাতা পুরসভার স্ক্যানারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে তাঁকে নোটিস ধরানো হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নাকি ‘শান্তিনিকেতনে’র বেশ কয়েকটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই বিষয়ে যথাযথ উত্তর না পেলে অবৈধ নির্মাণ পুরসভা ভেঙে দিতে পারে বলেও খবর। যা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। প্রশ্ন উঠছে ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) ভূমিকা নিয়ে। যদিও দায় এড়িয়ে ‘অসহায়’ মেয়রের দাবি, এই বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। কেএমসি অ্যাক্টে আমরা শুধুই পলিসি মেকার। অন্যদিকে দলের তরফে মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh) মন্তব্য, তৃণমূলের কিছু নেতাকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। এমনকী ভুয়ো জিনিস ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। তবে যার বাড়িতে নোটিস, পুরো বিষয়টি তিনিই ভালো বলতে পারবেন বলে মন্তব্য বেলেঘাটার বিধায়কের। 

Advertisement

বিতর্কের মধ্যেই আজ, বুধবার বিধানসভার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং কুণাল ঘোষ। সেখানেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো নোটিস প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ”এটা আমার এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। যিনি এই নোটিস পেয়েছেন, তিনিই বলতে পারবেন। ব্যক্তিগত বিষয়ে কিছু বলতে পারব না। এখানে কলকাতা পুরসভার যে আইন রয়েছে তা জানাতে এসেছি।” এই বিষয়ে ফিরহাদের ব্যাখ্যা, মেটিয়াবরুজের সময়েই জানিয়েছিলাম নির্বাচিত যারা হন তাঁরা পলিসি তৈরি করেন। এক্সিকিউটিভ কাজটা কমিশনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। নতুন বিল্ডিংয়ের ছাড়পত্র দেওয়া কিংবা কোন বিল্ডিং বেআইনি তা জনপ্রতিনিধিরা দেখেন না।

Advertisement

যদিও এই বিষয়ে চরম ক্ষুব্ধ খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুরসভার মেয়র পারিষদ এবং মেয়রকে নিয়ে বৈঠকে বসেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেই বৈঠকেই অভিষেকের বাড়িতে নোটিস পাঠানো নিয়ে তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন। খোদ মেয়র ফিরহাদের কাছে তিনি জানতে চান, এই নোটিস কীভাবে এবং কেন পাঠানো হল। তাতে নাকি ফিরহাদ সবিনয়ে জানিয়েছেন, ওই নোটিসের বিন্দুবিসর্গ কিছু জানতেন না। তাঁকে আড়ালে রেখেই ওই নোটিস পাঠানো হয়েছে। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, পুরসভা একজন সাংসদকে নোটিস পাঠিয়েছে, সেটা পুরপ্রধানই জানেন না! নাকি সুকৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। অন্তত এদিন ফিরহাদ হাকিম যেভাবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তির বিষয় মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলেন তাতে অনেকেই বলছেন, এই ইস্যুতে ক্রমশ নিজেদের সরিয়ে নিচ্ছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বরা! 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.