CM Suvendu Adhikari

সোমেই পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা, মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই থাকছে অর্থ

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও পাঁচ মন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর থেকেই বাকি মন্ত্রিসভা নিয়ে চর্চা ছিল তুঙ্গে। অবশেষে সূত্রের খবর, সেই জল্পনায় ইতি পড়তে চলেছে। আগামী সোমবার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। মন্ত্রীদের তালিকার পাশাপাশি দপ্তর বণ্টন নিয়েও কৌতূহল ছিল।

Advertisement
অরিঞ্জয় বোস
অরিঞ্জয় বোস

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৬, ০৯:০৮

options
link
সোমেই পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা, মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই থাকছে অর্থ
মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই থাকছে অর্থ।

মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও পাঁচ মন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর থেকেই বাকি মন্ত্রিসভা নিয়ে চর্চা ছিল তুঙ্গে। অবশেষে সূত্রের খবর, সেই জল্পনায় ইতি পড়তে চলেছে। আগামী সোমবার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। মন্ত্রীদের তালিকার পাশাপাশি দপ্তর বণ্টন নিয়েও কৌতূহল ছিল। নতুন, পুরনো এবং জেলার প্রতিনিধিদের মিশেলেই তৈরি হচ্ছে শুভেন্দু অধিকারীর ‘ক্যাবিনেট’। শোনা যাচ্ছে, এই ভারসাম্যের মন্ত্রিসভায় থাকবেন ৩৩ জন। 

Advertisement

দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক মহলে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছিল প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যালকে রাজ্যে অর্থমন্ত্রী করা হতে পারে। নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনেও তাঁর প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা গিয়েছিল। সূত্রের খবর, অর্থ দপ্তর নিজের হাতেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অর্থর পাশাপাশি তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরও নিজের হাতে রাখতে পারেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে বিনিয়োগ এবং রাজস্ব বৃদ্ধি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অন্যতম লক্ষ্য। নিজের হাতে অর্থ দপ্তর রেখে বিভিন্ন জনকল্যাণ প্রকল্প ও বিভিন্ন দপ্তরে অর্থনৈতিক গতি আনতে চান তিনি। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের ঘাড়ে একদিকে যেমন বিপুল দেনার দায়, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ না করার ফলে রাজস্বে ব‌্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজ্যের মানুষের অর্থনীতির মান নিম্নগামী মূলত এজন্যই। রাজ্যকে ঘুরে দাঁড় করানোকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই কারণেই অর্থ দপ্তর নিজের হাতে রেখে উন্নয়নের রোডম্যাপ নির্ধারণ করবেন। 

Advertisement

শুভেন্দুর মূল লক্ষ্য, একদিকে যেমন রাজ্যের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন, অন্যদিকে শিল্পায়নের পরিবেশ সৃষ্টি করে উন্নয়নকে গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দেওয়া। কর্মসংস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি করা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বিজেপি এই বিকল্প অর্থনীতির কথাই তুলে ধরেছিল।

শুভেন্দুর মূল লক্ষ্য, একদিকে যেমন রাজ্যের মানুষের সার্বিক উন্নয়ন, অন্যদিকে শিল্পায়নের পরিবেশ সৃষ্টি করে উন্নয়নকে গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে দেওয়া। কর্মসংস্থানের পরিবেশ সৃষ্টি করা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বিজেপি এই বিকল্প অর্থনীতির কথাই তুলে ধরেছিল। মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই উদয়াস্ত পরিশ্রম করছেন শুভেন্দু। একটি গতিশীল মন্ত্রিসভা সঙ্গে নিয়ে তিনি দলের লক্ষ্যপূরণে আরও এগোতে চান। আর এইসব কারণেই অর্থদপ্তর নিজের হাতে রেখে এগিয়ে যেতে চান তিনি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.