মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার আবেদন নির্যাতিতার বাবার

অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের নোটিস স্কুলে, বিভ্রান্তিতে পড়ুয়ারা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯, ১৪:২৪

options
link
মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার আবেদন নির্যাতিতার বাবার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকছে জিডি বিড়লা স্কুল। নোটিস দিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষর পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। নোটিস পড়ার পর থেকেই বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে পড়ুয়াদের মধ্যে। আগামিকাল থেকে একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা হওয়ার কথা। ফলে ধোঁয়াশায় ছাত্র-ছাত্রীরা।

Advertisement

লকআপে আড্ডায় মজে দুই ‘দুষ্টু স্যর’, ধিক্কার শহর জুড়ে ]

Advertisement

এদিকে রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বিশেষ আরজি জানালেন নির্যাতিতার বাবা। তিনি জানান, “অভিযুক্ত শিক্ষকদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে কারণে প্রশাসন ও পুলিশের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী যেন এই স্কুল চিরকালের মতো বন্ধ করে দেন। যেখানে বাচ্চার নিরাপত্তা নেই, আয়া থাকে না, সেই স্কুল যেন না চলে। আমি চাই আর কারও বাচ্চার সঙ্গে এরকম কোনও ঘটনা যেন না ঘটে। এরকম অমানবিক যে স্কুল হতে পারে, সে স্কুল যেন চিরকালের মতো বন্ধ করে দেন মুখ্যমন্ত্রী।”

Advertisement

৪ হোক বা ৪০, নারীশরীর কোনওভাবেই শুধু যৌনতার সামগ্রী নয় ]

বস্তুত স্কুলের প্রিন্সিপালের ভূমিকায় গোড়া থেকেই অসন্তুষ্ট ছিলেন নির্যাতিতার বাবা। ঘৃণ্য অপরাধের ঘটনা ঘটলেও স্কুলের শিক্ষকদের পক্ষেই দাঁড়িয়েছিলেন অধ্যক্ষা। তা নিয়ে ধিক্কারের রব গোটা শহর জুড়ে। এদিন নির্যাতিতার বাবা জানান, স্কুলের তরফ থেকে তাঁকে একটা চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেখানে সহানুভূতি জানানো হলেও, পুরো ঘটনার কথাই কার্যত অস্বীকার করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কোনওরকম শারীরিক নির্যাতন হয়নি বলেই দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষর। দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে বলেই চিঠিতে দায় সেরেছে কর্তৃপক্ষ। নির্যাতিতার বাবার দাবি, তিনি সংবাদমাধ্যমে দেখেছেন যে প্রিন্সিপাল জানিয়েছেন, স্কুলে এরকম কোনও ঘটনা ঘটেনি। অভিযুক্ত শিক্ষকরা নাকি আগেই বেরিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন তাহলে দুই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হল কেন? এই প্রেক্ষিতেই তাঁর দাবি, যদি এরপরও এরকম কোনও ঘটনা ঘটে, তাহলে তো অভিযুক্ত শিক্ষক যে উপস্থিত ছিলেন তা প্রমাণই করা যাবে না। যেহেতু স্কুল কর্তৃপক্ষই এরকম অপরাধের পরও শিক্ষকদের পক্ষে দাঁড়িয়েই কথা চলছে। তাঁর মেয়ের সঙ্গে যা হওয়ার তো হয়েইছে। কিন্তু অন্য কোনও বাচ্চার সঙ্গে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এরকম স্কুল যেন বন্ধ করে দেন তিনি।

[  ‘দেড় লক্ষ টাকা দিয়ে মেয়েকে নামী স্কুলে ভরতির এই পরিণাম?’ ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.