সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের খুন করতে রাজভবনে মজুত করে রাখা হয়েছে বোমা-বন্দুক। তা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক। অভিযোগ প্রমাণিত না হলে কল্যাণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এসবের মাঝেই নিজে রাজভবনে চিরুনি তল্লাশির সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যপাল। ডাকা হল বম্ব স্কোয়াড ও কলকাতা পুলিশকে।

বিহার নির্বাচনের ফলাফলের প্রকাশিত হওয়ার পর এসআইআর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এসআইআর প্রয়োজন ছিল। বিহারের মতো বাংলাতেও জনতা এই পদ্ধতি ভালোভাবে গ্রহণ করবেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্যের পালটা দেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “রাজ্যপালকে আগে বলুন তাঁর রাজভবনে বিজেপির অপরাধীদের যেন না রাখেন। উনি রাজভবনে অপরাধীদের রাখছেন, তাদের একটা করে বন্দুক দিচ্ছেন, বোমা দিচ্ছেন। বলছেন, মেরে এসো তৃণমূলের লোকেদের। আগে এসব বন্ধ করুন। উনি অপদার্থ রাজ্যপাল! বিজেপির চাকরবাকর রাজ্যপাল যতদিন থাকবে, ততদিন ভালো জিনিস পশ্চিমবাংলায় হবে না।”
কল্যাণের এই মন্তব্যের পরই রবিবার সকাল পাঁচটায় সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয় রাজভবনের দুয়ার। রাজভবনের তরফে বলা হয়, আদৌ কোনও অস্ত্র, গোলাবারুদ মজুত আছে কিনা ১০০ জন এসে সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পারেন। সাংসদের দাবি ভুয়ো প্রমাণিত হলে তাঁকে ‘ক্ষমা’ চাওয়ার কথাও বলা হয়। তারপরের দিন অর্থাৎ সোমবার উত্তরবঙ্গ সফর কাটছাঁট করে কলকাতায় ফিরছেন রাজ্যপাল। জানা যাচ্ছে, রাজভবনে ডাকা হয়েছে বম্ব স্কোয়াড ও পুলিশকে। রাজ্যপালের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালাবেন তাঁরা।
সর্বশেষ খবর
-
তারেক জমানাতেও অব্যাহত হিন্দু নিধন! রংপুরে বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার একই পরিবারের ৪ সদস্যের দেহ
-
ভাদ্র মাসে এই কাজগুলি করলে কেল্লাফতে, পুজোর আগেই হবেন লাখপতি!
-
বিপর্যয় মোকাবিলায় এনডিআরএফের ধাঁচে সেপ্টেম্বরেই রাজ্যে ‘অর্জুন বাহিনী’, ২০ শতাংশ সংরক্ষণ অগ্নিবীরদের
-
মেলেনি প্রথম এগারোয় সুযোগ, তবুও দলীপের জন্য ২ পেসারকে ছাড়লেন না গিল-গম্ভীর, কেন?
-
নতুন সিনেমার সঙ্গে জীবনেরও শুভারম্ভ, মালদ্বীপে বাগদান সারলেন সপ্তাশ্ব বসু,পাত্রী কে?