ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: ধীরে ধিরে স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের। আগের তুলনায় অনেকটাই ভাল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার সন্ধের মেডিক্যাল বুলেটিনে ডা. রুপালি বসু জানান, তাঁকে যে অ্যান্টি বায়োটিকগুলি দেওয়া হচ্ছিল, তা শনিবার পর্যন্ত চলবে। তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গত শনিবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে আলিপুরের এক বেসকরকারি হাসপাতালে ভরতি হন বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Buddhadeb Bhattacharjee)। তারপর থেকেই মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা চলছে তাঁর। সেই মেডিক্যাল বোর্ডই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার ফিজিও থেরাপি এবং লাং রিহ্যাবিলিটেশন করা হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর শরীরে ক্রিয়েটিনের মাত্রা অনেকটাই স্বাভাবিক। পাশাপাশি শরীরে যে নিউমোনিয়ার প্যাচ পাওয়া গিয়েছিল, তা অনেকটাই কমেছে। স্বাভাবিক ভাবেই শ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছেন। যদিও মাঝেমধ্যে প্রয়োজন বুঝে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। আপাতত রাইলস টিউবের মাধ্যমেই খাবার-দাবার খাচ্ছেন তিনি।
[আরও পড়ুন: একসঙ্গে দুই আইনজীবীর জামিনের আবেদন, আদালতের ভর্ৎসনায় ক্ষমা চাইলেন জীবনকৃষ্ণ]
এমনিতে শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হওয়ার পর থেকেই বাড়ি ফেরার ‘আবদার’ করে চলেছেন বুদ্ধবাবু। তিনি দাবি করেন, বাড়ি ফিরলে আরও দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেবন তিনি। যদিও তাঁকে কবে ছুটি দেওয়া হবে, হাসপাতালের তরফে তা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে, দলের তরফেও ঠিক করা হয়েছে, চিকিৎসকদের পরামর্শ মতোই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরানো হবে তাঁকে। অর্থাৎ কোনও তাড়াহুড়ো করা হবে না।
সূত্রের খবর, পরিবারের লোকজনের সঙ্গে অল্প কথাবার্তাও বলছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। চোখে ভাল দেখতে পান না। তাই খবরের কাগজ পড়ে শোনাতেও বলছেন। প্রতিদিনের আপডেট রাখছেন হাসপাতালে বসেও।
[আরও পড়ুন: Modi Surname Case: মোদি পদবি মামলার শাস্তিতে স্থগিতাদেশ, সুপ্রিম কোর্টে বড়সড় স্বস্তি রাহুল গান্ধীর]
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের মাঝেই অনাগত সন্তানের মৃত্যু! শোকে পাথর ডাচ তারকা, পরের ম্যাচগুলি খেলবেন?
-
তারাতলা বিল্ডিং প্ল্যান থেকে আর্থিক লেনদেন, কার নির্দেশে কাজ, জেরায় কী জানালেন কালী?
-
১৫ হাজার বিষ ক্যাপসুল বানিয়ে মহরমের শোভাযাত্রায় গণহত্যার ছক! অসুস্থ বহু, গ্রেপ্তার ফায়াজ
-
বধর্মানে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর ও ব্লক সভাপতি, অভিযান চালিয়ে ‘ফেরার’ নেতাদের ধরল পুলিশ
-
অজিদের সামনে ভারতের অগ্নিপরীক্ষা, হারলেও কোন অঙ্কে বিশ্বকাপে সেমির পথ খোলা স্মৃতিদের?