Ritabrata Banerjee

অ্যাকাউন্ট তহবিল মামলায় পার্টি করার আর্জি, ‘আসল তৃণমূলে’র আবেদন খারিজ হাই কোর্টের

কোন যুক্তিতে আবেদন খারিজ করলেন বিচারপতি?

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৯:১৫

options
link
অ্যাকাউন্ট তহবিল মামলায় পার্টি করার আর্জি, ‘আসল তৃণমূলে’র আবেদন খারিজ হাই কোর্টের
অ্যাকাউন্ট তহবিল মামলায় পার্টি করার আর্জি, 'আসল তৃণমূলে'র আবেদন খারিজ হাই কোর্টের

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ঋতব্রতপন্থীদের পার্টি করার অনুমতি-ই দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার এই সংক্রান্ত মামলায় পক্ষভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন জানালে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানিয়েছে, তৃণমূলের কর্তৃত্বের বিষয়টি যেহেতু নির্বাচন কমিশনের কাছে বিচারাধীন। তাই আদালত এখনই এই বিষয়ের মধ্যে ঢুকতে চায় না।

Advertisement

তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টররেট (ইডি)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁদের পক্ষে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, “এর আগে ৯ জুলাই হাই কোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই মামলাকারীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একটা অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দিয়েছেন। ৭ জুলাই ইডি তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে। এখন পর্যন্ত মোট আটটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। এবং বিষয়টি আমরা বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে আগেই হলফনামা দিয়ে জানিয়েছি। মে মাসের ৪ তারিখের আগে এই অ্যাকাউন্ট থেকেই টাকা নিয়ে নির্বাচনে লড়াই করেছেন প্রার্থীরা। তখন কোনও অভিযোগ ছিল না। ১৮ জুন একটা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ জুন অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। একটা রাজনৈতিক দলের কাজকর্ম বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশ তিনটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেয়। ৭ জুলাই ফের ইডি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে।”

Advertisement

যদিও আদালতে ইডির দাবি, “তৃণমূলের সব অ্যাকাউন্ট তো আমরা ফ্রিজ করিনি, মাত্র তিনটি অ্যাকাউন্ট। বাকি অ্যাকাউন্টে ১৬৪ কোটি টাকা আছে, সেটা দিয়েই তো দৈনন্দিন কাজকর্ম চলতে পারে।” আরও দাবি, অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ না করলে তো টাকা দুবাই বা কেম্যান দ্বীপে পাচার হয়ে যেতে পারে। তারপর তো আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। একইসঙ্গে, আলিপুর আদালতের এক নির্দেশিকা তুলে ধরে মামলাকারীর মামলা দায়েরের অধিকারের অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলে ইডি। তার প্রেক্ষিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, নিম্ন আদালতের মামলায় এদের (মমতাপন্থী তৃণমূলকে) কি পার্টি করা হয়েছিল কিনা। উত্তরে তৃণমূলের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, “গোপন করার কথা হচ্ছে কেন? যেখানে এটা অর্ডার হয়েছে। কাউকে পার্টি করা হয়নি মামলায়।” বিচারপতি রাওয়ের আরও প্রশ্ন, নিম্ন আদালতের বিচারকের কি ক্ষমতা আছে কোনও একজন ব্যক্তিকে অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের ক্ষমতা দেওয়ার? ইডি এ ক্ষেত্রে পুলিশের কাছ থেকে রিপোর্ট নিয়েছিল কি না, সেটাও জানতে চান বিচারপতি। ইডি জানায়, সিডিউলড অফেন্সের ক্ষেত্রে এর প্রয়োজনীয়তা নেই। এদিন দুপক্ষের বক্তব্য শুনে রায়দান স্থগিত রেখেছে আদালত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.