দূষিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষার বাতাবরণ, উদ্বেগ প্রকাশ বিদ্বজনদের

শঙ্খ ঘোষ, নবনীতা দেবসেন, সুকান্ত চৌধুরী প্রমুখ অধ্যাপকরা স্বাক্ষর করেছেন চিঠিতে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০১৮, ১৭:৩৮

options
link
দূষিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষার বাতাবরণ, উদ্বেগ প্রকাশ বিদ্বজনদের

দীপঙ্কর মণ্ডল: একদিকে যাদবপুরের প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক। অন্যদিকে কলেজে কলেজে ভরতি নিয়ে তোলাবাজি। উচ্চশিক্ষা যেন পড়ুযাদের কাছে হ্যাপা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আসছে হতাশা। দূষিত হচ্ছে উচ্চশিক্ষার বাতাবরণ। এ নিয়েই এবার নিজেদের উদ্বেগ প্রকাশ করলেন শঙ্খ ঘোষ, নবনীতা দেবসেন-এর মতো অধ্যাপক ও বিশিষ্টরা।

Advertisement

[  তোলাবাজি রুখতে এবার অনলাইনে কলেজে ভরতি, ঘোষণা পার্থর ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যাদবপুরের প্রবেশিকা পরীক্ষা কারা নেবেন? বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরাই সে দায়িত্ব পালন করবেন নাকি বাইরের অধ্যাপকদের সে দায়িত্ব দেওয়া উচিত? এ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে তর্ক। রাজ্যের শিক্ষার জন্য মোটেও তা ভাল বিজ্ঞাপন নয়। এদিন যাদবপুরের উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া চিঠিতে শঙ্খবাবুরা জানান, কোনও পাঠ্যক্রমে সম্ভাব্য যোগ্যদের নির্বাচন সেই বিভাগ ও পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অধ্যাপকরাই ভাল করতে পারেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সময়সিদ্ধ পদ্ধতিতে দীর্ঘদিন ধরে এই নির্বাচন করে চলেছে। নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীরা দেশে-বিদেশে সাফল্যও অর্জন করেছে। তাহলে এখন কেন এই ব্যবস্থা ভাঙার জন্য অনর্থক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তাঁদের। যদি বাইরে থেকে এই মূল্যায়ন হয় তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানই পড়ে যাবে বলে আশঙ্কা তাঁদের।

Advertisement

[  ব্যাংক জালিয়াতি রুখতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করল কলকাতা পুলিশ ]

এদিকে ভরতির নামে কলেজে কলেজে তোলাবাজি চলছে ব্যাপকহারে। গত কয়েকদিনে  একাধিক অভিযোগ এসেছে। হাজার হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে কলেজের সিট। সৌজন্যে ছাত্রনেতারা। মেধার কোনও গুরুত্বই নেই। ‘দাদা’ ধরতে পারলেই ফেলো কড়ি মাখো তেল। মেধায় পিছিয়ে থাকা যে কেউ ভরতি হতে পারছে। অন্যদিকে মেধাবীরা বঞ্চিত হচ্ছেন ভরতির সুযোগ থেকে। মাত্রাছাড়া অভিযোগে শেষমেশ নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসনও। মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করেছেন। আজ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তোলাবাজি রুখতে অনলাইন ভরতির প্রক্রিয়াই চালু করা হল। ফলে মাঝে কোনও নেতার নেতাগিরি আর থাকছে না। কিন্তু তার আগে যা হয়েছে তা নিয়েই গভীরভাবে বিচলিত শঙ্খবাবুরা। তাঁদের আক্ষেপ, এর ফলে হতাশ ও বিপথগামী হয়ে পড়ছে যুবকরা। উচ্চশিক্ষার পরিবেশ মর্মান্তিকভাবে দূষিত হয়েছে। এবং এর ফলে রাজ্যের মেধা যে আর গর্বের জায়গায় থাকবে না, সে বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.