সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপ ফাইনাল গুজরাটে হয়েছে বলেই হেরেছে ভারত। অন্য বিরোধীদের সুরে সুর মিলিয়ে এবার বলে দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee)। তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য, বিশ্বকাপের ফাইনাল গুজরাটের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের বদলে কলকাতায় হলে ভারতই জিতত।
সেই সঙ্গে মমতার বিস্ফোরক দাবি, শুধু প্র্যাকটিস জার্সি নয়, ভারতীয় দলের মূল জার্সিও গেরুয়া রংয়ের করতে চেয়েছিল বিজেপি। ক্রিকেটারদের আপত্তিতে সেটা হয়নি। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইন্ডোরে দলের বিশেষ সভায় তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো বলেন, “আমি তো এখনও বলতে পারি, ইন্ডিয়ার ফাইনাল যদি কলকাতাতে হত, ওয়াংখেড়েতে হত, আমরা জিততাম। আমাদের ছেলেরা এত ভালো খেলাধুলোয়। কিন্তু ওই গেরুয়া পরিয়ে দিল।” বিদ্রুপের সুরে মমতা বললেন,”আমরা সবকটা ম্যাচ জিতলাম। ১০টার মধ্যে ১০টাই জিতলাম। আর যেই পাপিষ্ঠরা গেল, হেরে গেল।”
[আরও পড়ুন: মণিপুরের UFO কি চিনের গুপ্তচর বেলুন? ভিডিও ঘিরে জল্পনা]
বিশ্বকাপে ক্রিকেটারদের কমলা প্র্যাকটিস জার্সি নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন মমতা। প্রশ্ন তুলেছিলেন, খেলার মধ্যে রাজনীতি কেন? এবার আরও বিস্ফোরক দাবি করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর দাবি, ভারতীয় দলের মূল জার্সিও গেরুয়া করতে চেয়েছিল বিজেপি। মমতা বলছেন, “খেলতে গিয়েও বলেছিল নীল পরা যাবে না। প্লেয়ারদের আপত্তিতে সেটা খাটেনি। তাও দেখবেন নীলের মধ্যে হলুদ লাগিয়ে দিয়েছে। পাপিষ্ঠরা যেখানেই যাবে, সেখানেই মনে রাখবেন, পাপ কখনও বাপকেও ছাড়ে না।”
[আরও পড়ুন: ৬০ বার কোপ, খুনের পর দেহের উপর নাচ! ১৬ বছরের কিশোরের তাণ্ডবে কাঁপছে দিল্লি]
বিশ্বকাপ (ICC World Cup 2023) ফাইনালে ভারতের হারের পর থেকেই কেন্দ্র তথা প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করা শুরু করেছেন বিরোধীরা। শিব সেনার উদ্ধব শিবির আগেই তোপ দেগেছেন। অখিলেশ যাদব তোপ দেগেছেন। রাহুল গান্ধী তোপ দেগেছেন। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই সুরে সুর মেলালেন।
সর্বশেষ খবর
-
গর্ভাবস্থায় কেমন হবে ঘরের সাজ? হবু মায়ের সুস্থতায় জেনে রাখুন বাস্তুর নিয়ম
-
দুর্গাপুরের আদিবাসী যুবকের রহস্যমৃত্যু! ছত্তিশগড়ের জঙ্গলে উদ্ধার পরিযায়ীর পচাগলা দেহ
-
গুরুদ্বারের কাছে তরোয়াল নিয়ে হামলা, অকালি প্রধান সুখবীরকে খুনের চেষ্টা নিহাঙ্গ শিখদের!
-
‘চটিচাটা’ বনাম ‘বুটচাটা’, কল্যাণ ও রাজ্যের এজির বাকবিতণ্ডায় হাই কোর্টে তুলকালাম
-
ব্রিগেডে ৩ লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমে হবে রামকথা! গীতাপাঠের পর নতুন কর্মসূচি শহরে