Bengal STF

হামিমের পর রানা, তপসিয়ায় ঘাঁটি আইএসআই এজেন্টের! হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার

রাজ্যে ফের আইএসআই জঙ্গি যোগ? বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার এক পাকিস্তান নাগরিক! ধৃতের নাম রানা রাউফ ওরফে ওয়াহাব।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২৬, ১২:৫৯

options
link
হামিমের পর রানা, তপসিয়ায় ঘাঁটি আইএসআই এজেন্টের! হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার
বনগাঁ সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার।

রাজ্যে এবার আইএসআই জঙ্গি যোগ? বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার এক পাকিস্তান নাগরিক! ধৃতের নাম রানা রাউফ ওরফে ওয়াহাব। কলকাতার তপসিয়া এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছিল ওই সন্দেহভাজন। ভুয়ো আধার-ভোটার কার্ডও বানানো হয়েছিল। ধৃত আইএসআই জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত! গতকাল, মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই পূর্ব বর্ধমান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল জঙ্গি হামিম মণ্ডল। তাকে হেফাজতে রেখেই জিজ্ঞাসাবাদ করছেন এসটিএফের আধিকারিকরা। এবার আরও এক সাফল্য তদন্তকারীদের।

Advertisement

সম্প্রতি জইশ ই মহম্মদের সদস্য হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। তাঁকে জেরা করে আরও এক সঙ্গীকে পাকড়াও করা হয়েছে। হামিম হাওড়ার পিলখানা এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর নজর রেখে সেসব তথ্য সংগ্রহ করাই ছিল হামিমের কাজ! ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই এবার আইএসআই জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হল এই রানা রাউফকে। 

Advertisement

কলকাতারই এক ব্যক্তি তাকে এই নকল আধার-ভোটার কার্ড করে দেয়। তাকেও গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রানা ছুতোর মিস্ত্রির কাজ করত এলাকায়। নকল পরিচয়পত্রে পাওয়া এই নামও আসল নয় বলেই প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, হাবড়া থেকে এলাকা থেকে এই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। খাস কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বেশ কয়েক মাস ধরেই সে থাকছিল। পাকিস্তানের এই যুবক বাংলায় থাকার জন্য এদেশের নকল আধার-ভোটার কার্ড তৈরি করেছিল। কলকাতারই এক ব্যক্তি তাকে এই নকল আধার-ভোটার কার্ড করে দেয়। তাকেও গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রানা ছুতোর মিস্ত্রির কাজ করত এলাকায়। নকল পরিচয়পত্রে পাওয়া এই নামও আসল নয় বলেই প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের। কিন্তু কলকাতায় ঘাঁটি তৈরি করার আসল উদ্দেশ্য কী? গুপ্তচরবৃত্তি করে তথ্য পাঠানোই কাজ ছিল ধৃতের! এখন অবধি কী কী তথ্য সে জোগাড় করে বাইরে পাঠিয়েছে? সেইসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুমান, ভারতীয় রেল ও সেনার বিভিন্ন গতিবিধির উপর নজর রাখছিল এই সন্দেহভাজন!  

Advertisement

কলকাতায় ঘাঁটি তৈরি করার আসল উদ্দেশ্য কী? গুপ্তচরবৃত্তি করে তথ্য পাঠানোই কাজ ছিল ধৃতের! এখন অবধি কী কী তথ্য সে জোগাড় করে বাইরে পাঠিয়েছে? সেইসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ধৃতের সঙ্গে কাদের যোগাযোগ ছিল? ফোনের মাধ্যমে কাদের সঙ্গে কথা বলত রানা? কোন কোন বাইরের নম্বর থেকে ফোন আসত? বাইরে কাদের ফোন করা হত? সেইসব তথ্যও ধৃতকে জেরা করে পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রানা নেপাল সীমান্ত দিয়ে ২০১২ সালে ভারতে ঢুকে কলকাতায় এসেছিল। কিন্তু হাবড়ায় গিয়েছিল কেন সে? তাহলে কি হামিম গ্রেপ্তারির পরে বাংলাদেশে পালানোর ছক কষছিল সে? সেইসব তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে এসটিএফ।

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.