Ahiritola Murder Case

আহিরীটোলা কাণ্ডে মা-মেয়ের জেল হেফাজত, ঘটনার তদন্ত করবে মধ্যমগ্রাম থানাই, নির্দেশ আদালতের

আগামিকাল তাদের দুজনকে বারাসত আদালতে তোলা হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫, ১৭:৪২

options
link
আহিরীটোলা কাণ্ডে মা-মেয়ের জেল হেফাজত, ঘটনার তদন্ত করবে মধ্যমগ্রাম থানাই, নির্দেশ আদালতের

অর্ণব আইচ: আহিরিটোলা কাণ্ডে উঠে আসছে একের পর এক তথ্য। পুলিশ ধৃত মা-মেয়েকে প্রাথমিকভাবে জেরা করেছে। আজ বুধবার কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়েছিল মা ও মেয়েকে। বিচারক ধৃতদের একদিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামিকাল তাদের দুজনকে বারাসত আদালতে তোলা হবে। সেই কথা জানা গিয়েছে।

Advertisement

মহিলার টুকরো করা মৃতদেহ ট্রলি ব্যাগে ভরে মা ও মেয়ে আহিরীটোলায় গঙ্গারঘাটে গিয়েছিলেন। গঙ্গায় সেই ট্রলি ফেলা ছিল তাদের উদ্দেশ্য। সেখানেই তাদের ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। পরে জানা যায়, সুমিতাককে মারা হয়েছিল মধ্যমগ্রামে। কাজেই মধ্যমগ্রাম পুলিশ এই মামলার তদন্ত করবে। কলকাতা পুলিশ এই মামলায় তাদের হাতে থাকা তথ্য মধ্যমগ্রাম পুলিশের হাতে তুলে দেবে। এদিন সেই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বারাসত আদালতেই এই মামলার শুনানি হবে। আগামিকাল ধৃত দুজনকে সেখানে তোলা হবে। এদিনই ধৃত ফাল্গুনী ঘোষকে নিয়ে মধ্যমগ্রামের ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন নর্থ পোর্ট থানার ফরেনসিক আধিকারিকরা। খুনে ব্যবহার করা ইট উদ্ধার হয়েছে। যে বাড়িতে ধৃতরা ভাড়া থাকতেন, সেই বাড়ির পাশের পরিত্যক্ত জমিতে ওই ইট পাওয়া গিয়েছে। বটি দিয়ে মৃতের পা কাটা হয়েছিল। সেটি এখনও উদ্ধার হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, সেটি পুকুরে ফেলা হয়েছে।

Advertisement

মৃত সুমিতার স্বামী অসমের জোরহাটের বাসিন্দা। প্রায় পাঁচ বছর স্বামীর সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। এদিকে ফাল্গুনীর স্বামী শুভঙ্করও থাকেন অসমের জোড়হাটে। সেখানেই তাঁর বৈদ্যুতিন সামগ্রীর দোকান রয়েছে। ফাল্গুনীর সঙ্গে স্বামীর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চলছে। তাই ফাল্গুনী মধ‌্যমগ্রামে মা আরতির সঙ্গে ভাড়া থাকত। সেখানেই এসে উঠেছিলেন সুমিতা। এদিকে সুমিতা ও ফাল্গুনি, দু’জনই নিঃসন্তান। ফলে সুমিতার ব‌্যাঙ্কের লকারে থাকা ৭০ ভরি সোনার গয়নার উত্তরাধিকারী কে? তা নিয়ে পরিবারের অন্দরেই জল্পনা ছিল। সুমিতাদেবীর সেই গয়না ও সম্পত্তির উপরই লোভ ছিল ফাল্গুনীর। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ব্যাঙ্কে থাকা সাড়ে তিনলক্ষ টাকা হাতানোর ফন্দিও আঁটছিল অভিযুক্তরা।

রবিবার দুপুরে সম্পত্তি নিয়ে শুরু হয়েছিল অশান্তি। তখন ইটের আঘাতে পিসিশাশুড়িকে খুন করে ফাল্গুনী। পরে দেহ অন্য কোথাও ফেলার জন্য পরিকল্পনা করেছিল তারা। শুধু তাই নয়, সোমবার মা ও মেয়ে দুজনে বিভিন্ন জায়গায় এজন্য রেইকিও করে বলে খবর।

 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.