Kalyani Blast

কল্যাণী বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারের পাশে রাজ্য, অর্থসাহায্য ঘোষণা

জেলা পুলিশের কাছ থেকেও রিপোর্ট চেয়েছে নবান্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৫, ২১:৪৩

options
link
কল্যাণী বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারের পাশে রাজ্য, অর্থসাহায্য ঘোষণা

গৌতম ব্রহ্ম ও সুবীর দাস: কল্যাণীতে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে নিহতদের পরিবারের পাশে রাজ্য সরকার। পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে অর্থসাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এই ঘটনায় জেলাশাসককে আলাদা করে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। জেলা পুলিশের কাছ থেকেও রিপোর্ট চেয়েছে নবান্ন।

Advertisement
Kalyani-Blast
বিস্ফোরণে ধ্বংসস্তূপের রূপ নিয়েছে বাজি কারখানা

শুক্রবার দুপুর ১টা নাগাদ কল্যাণীর রথতলা এলাকার টিনের ছাউনি ঘেরা ঘর থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। লেগে যায় আগুন। তখন ওই বাজি কারখানায় কাজ চলছিল। কারখানায় কর্মরত ৫ শ্রমিক আটকে পড়েন। একজন আগুনে পুড়ে কোনওমতে কারখানার বাইরে আসেন। কিন্তু কারখানার ভিতরে আটকে পড়েন ৪ জন। আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় তাঁদের। এদিন সন্ধ্যায় বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শন করেন বেঙ্গল এসটিএফের আধিকারিকরা। ঘটনাস্থলে সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। এলাকায় পৌঁছন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
CCTV
চলছে ঘটনাস্থলে সিসি ক্যামেরা লাগানোর কাজ

রানাঘাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কুমারসানি রাজও ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, “এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১ জন জখম। তাঁর চিকিৎসা চলছে। ওই বাজি কারখানাটি আদৌ বৈধ নাকি বেআইনি তা তদন্তসাপেক্ষ। ইতিমধ্যে বাজি কারখানার মালিক খোকন বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাকে আদালতে পেশ করা হবে। তাকে জেরা করে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।”

Advertisement
Kumarsani-Raj
রানাঘাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার কুমারসানি রাজ

ইতিমধ্যে কল্যাণী বিস্ফোরণ কাণ্ড নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

Jagannath-Sarkar
বিস্ফোরণস্থলে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার

তার আগে যান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। এদিন বিস্ফোরণ কাণ্ডের মাত্র কিছুক্ষণ পরেই কল্যাণীতে যান বিজেপির ২ বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং বঙ্কিম হাজরা। তাঁরা বিক্ষোভের মুখে পড়েন। ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও দেওয়া হয় তাঁকে লক্ষ্য করে। তার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.