KC Das in England

ফের ইংল্যান্ডে মিলবে ‘কে সি দাসে’র রসগোল্লা, বিলেতেই একাধিক মিষ্টির স্বাদ পাবেন প্রবাসীরা

বাণিজ্য চুক্তির জের!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
ফের ইংল্যান্ডে মিলবে ‘কে সি দাসে’র রসগোল্লা, বিলেতেই একাধিক মিষ্টির স্বাদ পাবেন প্রবাসীরা
প্রতীকী ছবি

স্টাফ রিপোর্টার: এক টুকরো কলকাতা শিগগির পৌঁছে যাবে লন্ডনে। বিলেতে বসেই টাটকা, তুলতুলে ‘স্পঞ্জি’ রসগোল্লায় কামড় দেবে প্রবাসী বাঙালি থেকে ব্রিটিশ। চাইলেই পেয়ে যাবেন গরমাগরম শিঙাড়া, হিংয়ের কচুরি, জিভে জল আনা রসমালাই, কেশর মহারাজ ভোগ, চমচম, রসমাধুরী, বৈকুণ্ঠভোগ, আম ভরা সন্দেশ, আবার খাবো।

Advertisement

সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়েই বার্মিংহামে আউটলেট খুলবে ‘কে সি দাস’ (KC Das)। যার নেপথ্যে ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের বাণিজ্য চুক্তি এবং শুল্ক হ্রাস। রসগোল্লার আবিষ্কারক নবীনচন্দ্র দাসের উত্তরসূরী তথা কে সি দাস সুইটসের কর্ণধার ধীমান দাস জানিয়েছেন, ১৯৬০ সালে তাঁর পূর্বসূরীরা লন্ডনে কে সি দাসের আউটলেট খুলেছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছর পরে সেখানে দুধ নিয়ে একটি নির্দেশের জেরে বন্ধ হয়ে যায় দোকানটি। এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। বিলেতে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় খাবারের ব্র্যান্ডের এখন খুব চাহিদা। নতুন চুক্তিতে খাদ্য রপ্তানির উপর নিয়ন্ত্রক ও শুল্কের চাপ কার্যত উঠে যাবে। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ আমলে রসগোল্লা আবিষ্কার করেছিলেন বাগবাজারের নবীনচন্দ্র দাস।

Advertisement

তবে ব্রিটিশ নয়, পর্তুগিজদের থেকে শিখেছিলেন ছানা কেটে মিষ্টি তৈরির কৌশল। এরপর নিজস্ব আইডিয়া যোগ করে বানিয়েছিলেন ‘স্পঞ্জি’ রসগোল্লা। এতদিন লন্ডনে ‘কে সি দাসে’র সিল করা ক্যানের রসগোল্লা পাওয়া গেলেও অতুলনীয় স্বাদের মিষ্টির সম্ভার অধরা ছিল। কীভাবে সেখানে ব্যবসা করবেন?

Advertisement

জবাবে ধীমান জানিয়েছেন, “ওখানে সফল হওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা যত না দরকার, তার থেকে আমাদের একজন এমন পার্টনার দরকার যাঁর দুগ্ধজাত পণ্য প্রস্তুতের প্রযুক্তিগত জ্ঞান আছে। লন্ডন থেকে ১৯০ কিলোমিটার দূরে বার্মিংহামে মিষ্টি উৎপাদনের পরিকল্পনা করছি। আপাতত একজন উপযুক্ত পার্টনার খুঁজে দেওয়ার জন্য আমরা ব্রিটিশ ডেপুটি হাই কমিশনার অ্যান্ড্রিউ ফ্লেমিংয়ের সাহায্য চেয়েছি।” যে দুধ ও উপাদান দিয়ে কে সি দাসের রসগোল্লা তৈরি হয় তা দিয়েই কি তৈরি হবে লন্ডনের মিষ্টিও? সে ব্যাপারে আশার কথা শোনাননি কে সি দাস-এর পঞ্চম প্রজন্মের কর্ণধার। তাঁর কথায়, “ইউকে ভারত থেকে কোনও খাবারের উপাদান নিয়ে যেতে অনুমতি দেয় না। তাই আমাদের দুধের মতো কাঁচামাল সব লন্ডনের আশপাশ থেকেই জোগাড় করতে হবে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.