“আগামী দিনে রাজ্যে বিজেপির শাসনকাল কঠিন হবে, জেলযাত্রার জন্য তৈরি থাকুন।” বাংলার কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের বড় বার্তা দিলেন এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। প্রদেশ কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের এখন থেকে রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে থাকার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, বাংলাজুড়ে কর্মসূচি বাড়ানোর কথাও জানিয়েছেন বেণুগোপাল। দু’দিনের দলীয় কর্মসূচিতে কলকাতায় ছিলেন কংগ্রেসের এই কেন্দ্রীয় নেতা। প্রদেশ কংগ্রেসের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে আগামী দিনের জন্য বার্তা দেওয়াও হয়েছে। তৃণমূলের সঙ্গে কোনওভাবে জোট নয়, সেই কথাও তিনি জানিয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে খানখান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই মুহূর্তে হাতে গোনা নেতৃত্ব রয়েছে। আগামী দিনে কি বাংলায় কংগ্রেস ও তৃণমূলের জোট হবে? সেই চর্চা প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরেও রয়েছে। কিন্তু বেণুগোপাল সরাসরি জানিয়ে দিলেন, জোট কোনওভাবেই হবে না। আগামী দিনে কংগ্রেস একাই লড়বে বাংলায়। “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করবেন না। তৃণমূল ফিনিশজ, দ্যাট ইজ পাস্ট।” সরাসরি এই বার্তা দিয়েছেন এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক। মঙ্গলবার সকালে প্রথমে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে উপস্তিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, দীপা দাশমুন্সী, বর্ষীয়ান প্রদীপ ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্যরা।

বিধান ভবনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের দুই বিধায়ক মোতাব শেখ ও জুলফিকার আলি। বৈঠকের পর আলাদা করে দুই বিধায়ক কথা বলেছিলেন কেসি বেণুগোপালের সঙ্গে। দু’জনেই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বদলের কথা জানান। শুভঙ্কর সরকারের বদলে ফের অধীর চৌধুরিকে প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি করার দাবি জানানো হয়। যদিও সেই বিষয়ে বেণুগোপাল মুচকি হেসেছেন। গতকালই কলকাতার মৌলালির যুবকেন্দ্রে দলের তরফে কর্মী ও নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন কেসি বেণুগোপাল। সেখানেই তিনি আগামী দিনে আরও কঠিন দিনের বার্তা দিয়েছেন।
রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই গুন্ডাদমন বিল পাশ হয়েছে। আগামী দিনে কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন, জেলযাত্রার আশঙ্কাও থাকছে। রাজ্যে লড়াইয়ের ময়দানে থাকতে হবে। অনেক বেশি করে কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছনো ও জনসংযোগের বার্তা দিয়েছেন তিনি। আগামী দিনে দেশের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন রাহুল গান্ধী। সেই কথা দৃপ্ত কণ্ঠে নেতা-কর্মীদের বলেছেন বেণুগোপাল। রাজ্যে কংগ্রেসকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী হওয়ার ডাক দিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আগামী ৯ আগস্ট ‘ছাত্র কি গুঞ্জ’ হিসেবে দিল্লিতে একটি কর্মসূচি হচ্ছে কংগ্রেসের তরফে। বাংলার প্রতি জেলা থেকে ১০০ জন করে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিপজ্জনক গতিতে ছুটে এল উপমুখ্যমন্ত্রীর কনভয়, গাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু প্রৌঢ়র
-
পণের দাবিতে খুনে স্বামীকে শাস্তি দিতে প্রমাণের প্রয়োজন নেই! চাঞ্চল্যকর রায় এলাহাবাদ হাই কোর্টের
-
কংগ্রেসে ফিরছেন অমরিন্দর? রাহুলের প্রশংসার পর মুখ খুললেন ‘ক্যাপ্টেন’ নিজেই
-
‘এবার শান্তি পেয়েছেন তো?’ সনৎ দে-র গ্রেপ্তারিতে ‘পার্থ জ্যেঠু’র বিরুদ্ধে বিষোদগার মেয়ের
-
সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর পিলখানা! জঙ্গি হামিমের পর গ্রেপ্তার আরও এক যুবক, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র