সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত, গভীর নিম্নচাপের জেরে রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

কোনও বিরতি না দিয়ে একের পর এক নিম্নচাপ দানা বাঁধছে সাগরে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০১৮, ১২:২৩

options
link
সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত, গভীর নিম্নচাপের জেরে রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গভীর নিম্নচাপের জেরে রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিল আলিপুর হাওয়া অফিস৷ আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা-সহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা,  দুই মেদিনীপুর, বর্ধমান, বীরভূম ও নদিয়া জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর৷

Advertisement

আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গের উপর বিশাল এলাকাজুড়ে নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে৷ সঙ্গে সক্রিয় রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত৷ ফলে, তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ৷ বৃষ্টি নামানোর বিবিধ প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ বিরামহীনভাবে একের পর এক গজিয়ে উঠছে বঙ্গোপসাগরে। আর বর্ষা এক্সপ্রেসের এই অতিসক্রিয়তার জেরেই টানা দশদিন ধরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ভিজে চুপচুপে দশা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[শুভদৃষ্টি নয়, কীর্তনের সুরই মেলাল দুই দৃষ্টিহীনের হৃদয়কে]

আজ, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টিতে নাকাল হয়েছে মহানগর৷ আগামী দু’দিন এই একই পরিস্থিতি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস৷ জানা গিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত ও নিম্নচাপের কারণে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদে। উত্তরের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে৷ 

Advertisement

বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি স্বাভাবিক ঘটনা। তবে মাঝে খানিক বিরতি থাকে। সাধারণত, তিন-চারদিনের ব্যবধনে প্রাকৃতিক অনুষঙ্গগুলি দানা বাঁধে৷ কিন্তু গত দশদিন ধরে বঙ্গোপসাগরের অন্দরে যা ঘটছে, বিশেষজ্ঞদের মতে তা আদৌ স্বাভাবিক নয়। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বিরতি না দিয়ে একের পর এক নিম্নচাপ, ঘূর্ণাবর্ত দানা বাঁধছে সাগরে। একটা কাটতে না কাটতেই হামলে পড়ছে আরেকটা। ফলে গত কয়েকদিনে কলকাতা কার্যত রোদের মুখ দেখেনি৷

[হাওড়ায় লাইনচ্যুত ইস্পাত এক্সপ্রেস, চূড়ান্ত দুর্ভোগের কবলে দূরপাল্লার যাত্রীরা]

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের উপর রয়েছে নিম্নচাপ। আবার বাংলাদেশ সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর অবস্থান করছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি পাটনা-দুমকা-শ্রীনেকতন হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা৷ ফলে জলীয় বাষ্পের জোগান থাকছে অহরহ। যার জেরে মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু হয় বৃষ্টি৷ বুধবার সকাল থেকে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ায় বিপর্যস্ত হয় জনজীবন৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন