Krishak Bandhu

আতস কাচের তলায় কৃষক বন্ধু-বাংলা শস্য বিমার তালিকাও! করতে হবে পুনরায় আবেদন

পাশাপাশি কৃষক স্বার্থে এই দু'টি প্রকল্পকে চালু কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ১২:০৩

options
link
আতস কাচের তলায় কৃষক বন্ধু-বাংলা শস্য বিমার তালিকাও! করতে হবে পুনরায় আবেদন
কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। ফাইল ছবি।

এবার আতস কাচের তলায় কৃষকদের স্বার্থে চালু ‘কৃষক বন্ধু’ ও ‘বাংলা শস‌্য বিমা’র তালিকাও। হবে তদন্ত। নতুন করে আবেদনও করতে হবে। বৃহস্পতিবার নবান্নে এ কথা জানান কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। তাঁর বক্তব‌্য, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের অন্নপূর্ণা যোজনার জন‌্য যেমন পৃথক ফর্ম ফিল-আপ করতে হচ্ছে, তেমনই কৃষকদেরও আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের জন‌্য। কারণ কৃষক বন্ধুর যে তালিকা রয়েছে তাতে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতোই প্রচুর ভুয়ো নাম রয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। ফলে তার ঝাড়াই-বাছাইয়ের প্রয়োজন। পাশাপাশি কৃষক স্বার্থে এই দু’টি প্রকল্পকে চালু কেন্দ্রীয় প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। একইসঙ্গে তিনি জানান, ‘কৃষক বন্ধু’ প্রকল্পকে পুরোপুরি কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মাননিধি যোজনা’ এবং ‘বাংলা শস্য বিমা’ যোজনা বন্ধ করে সেটিকেও কেন্দ্রের ‘প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা’-য় রূপান্তরিত করা হবে।

Advertisement

কাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে? সেই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্য কৃষিমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, যাঁরা ইতিমধ্যেই ‘প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মাননিধি’-র টাকা পাচ্ছেন, তাঁদের নতুন করে আবেদন করতে হবে না। কিন্তু যাঁরা শুধু ‘কৃষক বন্ধু’-র তালিকায় ছিলেন, তাঁদের নাম এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পে তুলতে গেলে পুনরায় আবেদন করতে হবে। পাশাপাশি এবার কৃষক বন্ধু প্রকল্পেরও তদন্ত হবে বলে এ দিন জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কৃষক বন্ধুর যে উপভোক্তা তালিকা রয়েছে, তাতে প্রচুর ভুয়ো নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পুরো তালিকা তদন্ত করে ঝাড়াই-বাছাই করা হবে।” একইসঙ্গে সারের কালোবাজারি রুখতে এবং চাষীদের কাছে সঠিক সময়ে বীজ পৌঁছে দিতেও কড়া নজরদারি চালানো হবে বলে জানান তিনি।

Advertisement

এ দিকে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর বিভিন্ন জায়গায় পঞ্চায়েত স্তরে যে গণ-ইস্তফার হিড়িক উঠেছিল, তা নিয়েও বার্তা দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী। দুধকুমার মণ্ডল বলেন, ‘‘পঞ্চায়েতে যাঁরা ইস্তফা দিয়েছেন, তাঁরা হয়তো ভয় পেয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা স্পষ্ট বলছি, যদি তাঁদের কোনও অন্যায় বা দুর্নীতির ট্র্যাক রেকর্ড না থাকে, তবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আগামী আড়াই বছর তাঁদের নিয়েই আমরা কাজ করিয়ে নেব।’’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.