Jewellery Thief

আড়াই কোটির গয়না হাতিয়ে বিদেশে ফুর্তি! পলাতক অভিজাত বিপণির মহিলা ম্যানেজার

অভিযোগের দেড় মাস পরও অভিযুক্তর হদিশ পেতে হিমশিম অবস্থা পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২, ০৯:০১

options
link
আড়াই কোটির গয়না হাতিয়ে বিদেশে ফুর্তি! পলাতক অভিজাত বিপণির মহিলা ম্যানেজার

অর্ণব আইচ: নামী গয়না বিপণি থেকে আড়াই কোটি টাকার গয়না হাতিয়ে বিদেশ ভ্রমণের অভিযোগ মহিলা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। অভিযোগের দেড় মাস পরও অভিযুক্ত মহিলার হদিশ পেতে হিমশিম অবস্থা পুলিশের। কলকাতা-সহ দেশের বিভিন্ন শহরেও মহিলার সন্ধান চালাচ্ছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, সল্টলেকের একটি নামী শপিং মলে রয়েছে ওই সোনা ও হীরের গয়নার অভিজাত বিপণিটি। যদিও ওই সংস্থার মূল অফিস দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরের লি রোডে। বিপণির দায়িত্বে ছিলেন দুই ম্যানেজার অমিত শর্মা ও ওই পলাতক মহিলা। গত ডিসেম্বর মাস থেকেই কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয় যে, গয়না কোনওভাবে চুরি হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও প্রথমে ওই ম্যানেজারদের উপর সন্দেহ হয়নি কর্তৃপক্ষের। তাঁরা পুলিশকে জানান, গত ৩০ ডিসেম্বর অডিটের সময় প্রথম জানতে পারেন যে, বিপণি থেকে চুরি হয়েছে ৯০ লক্ষ টাকার সোনা ও হীরের গয়না। তার ভিত্তিতে তাঁরা নিজেরাই খোঁজখবর শুরু করেন। ওই বিপণির অভিযোগ অনুযায়ী, ভাল করে লকারে থাকা প্রত্যেকটি গয়নার হিসাব নিতে গিয়ে কর্তৃপক্ষ দেখে যে, বিপণি থেকে চুরি গিয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকার সোনা ও হীরের গয়না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ, এবার ৬ শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাই কোর্ট]

প্রথমে এই ব্যাপারে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। গুরুত্ব বুঝে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের জালিয়াতি দমন শাখার আধিকারিকরা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেন। তদন্তে ওই বিপণির লকারের কাছাকাছি থাকা একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হয়। তাতেই মহিলা-সহ দুই ম্যানেজারের ছবি ধরা পড়ে। গোয়েন্দা পুলিশের অভিযোগ, যে দু’জন গয়না চুরির অভিযুক্ত, সেই ব্যাপারে কিছু প্রমাণ পুলিশের কাছে আসে। তারই ভিত্তিতে দু’জনকে ডেকে জেরা করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, দু’দিন জেরা করার পরই ওই মহিলা ম্যানেজার উধাও হয়ে যান। অমিত শর্মাকে গ্রেপ্তার করেন লালবাজারের (Lalbazar) গোয়েন্দারা। এরপর ওই মহিলার সন্ধানে তাঁর দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের বাড়িতে গোয়েন্দারা তল্লাশি চালিয়েও তাঁর হদিশ পাননি। পুলিশের অভিযোগ, বিপুল টাকার গয়না হাতিয়ে মহিলা দুবাই, মালদ্বীপে ঘুরে বেড়িয়েছেন। এরপর তিনি দেশে ফিরে এলেও কোথায় গা ঢাকা দিয়েছেন, এমনই সন্দেহ পুলিশের। মহিলার বাড়িতে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। তার প্রেক্ষিতেই মহিলার এক আত্মীয় ভবানীপুরের অফিসে গিয়ে হুমকিও দেন বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ গয়না বিপণি সংস্থাটির।

মোবাইলের সূত্র ধরেও মিলছে না মহিলার সন্ধান। লালবাজারের গোয়েন্দাদের মতে, তিনি নেপালে পালিয়ে যেতে পারেন। তাঁর সন্ধান পেতে ভিনরাজ্য ও শহরের বড় শহরগুলির পুলিশ এবং বিমানবন্দর, স্টেশনগুলিকে সতর্ক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরি পণ্ডিতদের দুর্দশার কাহিনি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ট্রেলারে নজর কাড়লেন মিঠুন]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.