কমিশনের রিপোর্ট কেন চাপা হল: ঋতব্রত
অতীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২১ জুলাইকে তোপ দেগে ঋতব্রত বলেন, "আগে শহিদ মঞ্চে শুধু নাচা গানা হত। এই সমাবেশে ওসব চলবে না। তারকাদের এনে ক্যাটওয়াক হত। এটা কি ক্যাটওয়াকের জায়গা?" এরপরই তাঁর সংযোজন, "মমতা বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে তিরানব্বইয়ের দোষীদের সাজা দেবেন। দেননি কেন? কমিশনের রিপোর্টকে ইচ্ছাকৃতভাবে চেপে দেওয়া হল। এর জবাবদিহি করতে হবে মমতাকেই।"
সাহস থাকলে সঙ্গে থাকবেন: মমতা
মমতা বলেন, "আগে তো আমরা দু'জন এমপি ছিলাম। এখন তো ১৬-১৭ জন আছে। কোনও চিন্তা নেই। ফসল কাটা শেষ হয়নি।" এরপরই যোগ করেন, "সাহস থাকলে আমার সঙ্গে থাকবেন। নাহলে বিজেপির স্পনসরড টিমের সাথে না থেকে সরাসরি বিজেপিতে চলে যাবেন।" নিজেদের 'আসল' বলে দাবি করে মমতার স্লোগান, 'আসল তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ।' খেলা হবে বলে বক্তৃতা শেষ করলেন তিনি।
কমিশনের রিপোর্ট চেপে রেখেছিল মমতার সরকার: প্রদীপ
পুলিশকে তোপ শুভঙ্করের, "আমাদের কর্মীদের গাড়ি আটকে দিচ্ছে জেলায় জেলায়। এখানে যে পুলিশ রয়েছে তাদের বলি, আপনাদের সভার নিরাপত্তা দিতে হবে না, আপনারা চলে যান। আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা দিচ্ছেন না, নেতাদের নিরাপত্তা দিতে হবে না।" বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, "কেন কমিশনের রিপোর্ট চেপে রেখেছিল মমতার সরকার, তার তদন্ত হোক।" উত্তর ২৪ পরগনার এক শহিদ মুরারি চক্রবর্তীর ভাই কৃষ্ণ চক্রবর্তীর দাদা চিঠি দিয়েছেন শুভঙ্করকে। লিখেছেন, "আপনার আমন্ত্রণে পরিবার হিসাবে অভিভূত। গত ৩৪ বছর দাদার হত্যার বিচার না হওয়ায় এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কোনও শহিদ সমাবেশ অংশ নেব না। পরে নিশ্চয়ই আসব।"
প্রতীক বাঁচাতে সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাব: মমতা
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, ডিএ, হকার উচ্ছেদ-সহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিজেপিকে আক্রমণ মমতার। পাশাপাশি বিরোধী শিবির ও বিজেপির উদ্দেশে একযোগে বলেন, "তুমি প্রতীক কাড়লে, আমি ছাড়ব না। আমাদের প্রতীক কাড়তে পারে না। গায়ের জোরে করছে। আমি সুপ্রিম কোর্ট অবধি যাব। আর নাহলে আমি তোমাদেরও সবটা কেড়ে নেব।"
বিরোধী শিবিরকে মমতার বার্তা, বিজেপিতে যান!
বিরোধী শিবিরকে মমতার বার্তা, "বিজেপিতে যান। যত যাবেন খুশি হব। যে স্থান শূন্য হবে, তা পূরণের জন্য আমার ছাত্র, যুব আছে।" এরপরই যোগ করেন, "চোরগুলো বিজেপিতে চলে গেছে। আর ফেরত নেব না। কালকের অপারেশন কারা করেছে, আমি প্রত্যেকটার নাম জানি।" জেলায় জেলায় যাওয়ার বার্তা দিলেন তৃণমূলনেত্রী।
রেগে আগুন কল্যাণ
মেয়ো রোডের মঞ্চে বক্তব্য রাখছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পৌঁছে দীর্ঘ বক্তব্য সংক্ষেপে সারতে বলেন। কিন্তু কল্যাণ থামছেন না। কুণাল ঘোষ এগিয়ে গেলে কল্যাণ থামলেন। এবার কল্যাণ নামতেই মমতার বকুনি, "কম করে বলবে। বেশি হয়ে গেছে।" আর তাতেই রেগে আগুন কল্যাণ। চেয়ারে না বসে মঞ্চ থেকে সরে গেলেন।
অভিষেকের হাত ছেড়ে তৃণমূলে আসুন: মদন
মেয়ো রোডের মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র বললেন, "একটাও ডিম মাথায় পড়বে না। আপনি এগিয়ে আসুন, আমরা উত্তরীয় পেতে দেব। একবার স্বীকার করুন পুত্রস্নেহে অন্ধ হয়ে ছিলেন। অভিষেক এক ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। আমরা একমাস সময় দিচ্ছি, অভিষেকের হাত ছেড়ে তৃণমূলে আসুন।"
কাঠগড়ায় মণীশ গুপ্ত!
শহিদ মিনারের পাদদেশে কংগ্রেসের শহিদ মঞ্চে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাদা। ১৯৯৩-এর ঘটনার জন্য তৎকালীন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব তথা তৃণমূল জমানার মন্ত্রী মণীশ গুপ্তকে কাঠগড়ায় তুলল কংগ্রেস। প্রশাসনের কাছে আবেদন, ফাইল খুলুন, বিচার করুন। একইসঙ্গে সিপিএম সরকারের হাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মার খাওয়ার ছবিও স্থান পেয়েছে কংগ্রেসের মঞ্চে।