বিধান নস্কর, দমদম: লোকসভায় গ্যাস হামলার (Lok Sabha Gas Attack) ঘটনায় অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ললিত ঝা-র কলকাতা যোগ নিয়ে আগেই একাধিক তথ্য উঠে এসেছিল। এ শহরে একাধিক ডেরা বদলে থাকত ললিত। মূলত মধ্য কলকাতায় ছিল ঠিকানা। শুক্রবার ললিতের আরেকটি ঠিকানার হদিশ পাওয়া গেল। বাগুইআটির (Baguiati) পালপাড়ায় তিন, চার বছর ধরে সপরিবারে থাকত সে। আর সেখানকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, খুব ভদ্র ছেলে। টিউশন পড়াত, চুপচাপ থাকত। কোনওদিন তাকে দেখে সন্দেহজনক কিছু মনে হয়নি বলে জানাচ্ছেন আশপাশের বাসিন্দারা।
বড়বাজার এলাকার রবীন্দ্র সরণি, মুক্তারামবাবু স্ট্রিটের পর এবার বাগুইআটি অঞ্চলের হেলাবটতলার পালপাড়ায় ললিত ঝা-র ডেরা ছিল বলে সন্ধান মিলেছে। সেখানকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, প্রায় তিন বছর ধরে বাবা, মা ও ভাইকে নিয়ে ললিত থাকত সেখানে। বাড়ির মালিক শেফালি সর্দার জানাচ্ছেন, ওরা ৩, ৪ বছর ধরে ভাড়া (Rent) ছিল এখানে। কয়েকদিন আগে মা, বাবা, ভাই চলে যান। ললিত ছিল। কিন্তু সেও ১০ তারিখ ঘরে তালা দিয়ে চলে যায়। যাওয়ার সময় জানায়, কয়েকদিনের মধ্যে ফিরবে। তার পর ১৩ তারিখ সংসদে গ্যাস হামলার ঘটনা।
[আরও পড়ুন: নিজের বাড়িতে সিঁধ কেটেছিলেন ‘ডাকাত’ বউ! আগরপাড়া ডাকাতিতে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য]
প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, ললিত প্রাইভেট টিউশন পড়াত। মূলত ইংরাজি মাধ্যমের ছাত্রছাত্রীরা পড়ত তার কাছে। তার মাও এমনই জানিয়েছিলেন। তাঁদের কথায়, ”খুব ভদ্র ছেলে ললিত।” তাঁরা বিশ্বাসই করতে পারছেন না যে ললিত এমন একটা কাণ্ড ঘটাতে পারে। ১৩ তারিখ লোকসভায় গ্যাস হামলার মূল চক্রী হিসেবে ললিতকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করছেন তদন্তকারীরা। শুক্রবার সকালে ললিতের বাগুইআটির ঠিকানায় পৌঁছয় পুলিশ। মালিক ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ললিত সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে চান তদন্তকারীরা।
[আরও পড়ুন: গ্রামের NGO-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সংসদ হানার মূলচক্রী ললিত! অজানা আশঙ্কায় কাঁপছে তুনতুড়ি]
সর্বশেষ খবর
-
স্বমেজাজে কিম! মার্কিন সামরিক মহড়ার পরই ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল পিয়ংইয়ং, রেগে আগুন দক্ষিণ কোরিয়া
-
পশ্চিম সিকিমে ফের ভূমিধস, অবরুদ্ধ রিম্বি-খেচুপরি সড়ক, আতঙ্কে স্থানীয়রা
-
২০ বছরের সশস্ত্র সংগ্রামে ইতি! স্বামী মদনের ডাকে বাংলায় আত্মসমর্পণের পথে মাওবাদী জবাও
-
‘পালালেও লুকোতে পারবে না’, কাশ্মীরে সেনা অভিযানে খতম জইশ জঙ্গি, উদ্ধার অত্যাধুনিক M4 রাইফেল
-
প্রদীপকে সরিয়ে মিতা! জেলা সভাপতি বদল হতেই অশান্তির ‘কালো মেঘ’ প্রদেশ কংগ্রেসে