সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বর্তমান যুগে প্রচারের ক্ষেত্রে সোশাল মিডিয়ার ভূমিকা অস্বীকার করার কোনও উপায় নেই। এই পরিস্থিতিতে দলীয় নেতা-মন্ত্রীদের সামাজিক মাধ্যমে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর পাঁচজন বিরোধী দলের নেতাদের মতোই সোশাল মিডিয়ায় অভ্যস্থ হতে হবে বলেই সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি।
বুধবার ছিল টিএমসিপির প্রতিষ্ঠা দিবস। মেয়ো রোডের সভামঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতা বলেন, “আপনারা কেন সমাজমাধ্যমে সক্রিয় নন? পার্টি যখন করছে, আপনাদেরও এই কাজ করতে হবে।” সোশাল মিডিয়ায় হওয়া অপ্রচারের কথা উল্লেখ করে মমতা আরও বলেন, “ভুয়ো ভিডিওর বিরুদ্ধে সমাজমাধ্যমে আমাদের লড়াই করতে হবে। দলে যাঁরা আছেন, ব্লক সভাপতি, কাউন্সিলর, বিধায়ক, সাংসদ-সকলকে এই কাজ করতে হবে। ওরা ভুয়ো ভিডিও ছড়াচ্ছে। আমাদের সত্যিটা বলে তার মোকাবিলা করতে হবে।”
[আরও পড়ুন: মোদিমন্ত্রেই থামবে যুদ্ধ! বাইডেনকে শান্তির ‘নীল নকশা’ দেবেন জেলেনস্কি?]
বলে রাখা ভালো, সম্প্রতি আর জি কর কাণ্ডে সোশাল মিডিয়ায় একাধিক ভুয়ো পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। কলকাতা পুলিশের তরফে ওই ধরনের ভুয়ো পোস্ট রুখতে পদক্ষেপও করা হয়। অনেককেই তলবও করা হয় লালবাজারে। শুধু তাই নয়, সোশাল মিডিয়ায় করা ভুয়ো পোস্ট মোছার নির্দেশও দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, প্রত্যেকের হাতে এখন স্মার্টফোন। ইন্টারনেটের যুগে এখন মানুষ অনেক বেশি প্রযুক্তিতে এগিয়ে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে ঘন ঘন নজর রাখাই যেন দস্তুর। সে কারণেই পুরনো ভাবনাচিন্তা ভুলে প্রচারের ক্ষেত্রে সোশাল মিডিয়ায় আরও গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা মমতা দিয়েছেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অনেকের মতে, সে কারণে তাঁর এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা পোস্ট শেয়ার করার বার্তা দিয়েছেন মমতা।
[আরও পড়ুন: ভোটপ্রচারে শিশুর মুখে ‘অব কি বার’ স্লোগান! নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করে কমিশনের তোপে বিজেপি]
সর্বশেষ খবর
-
মিড ডে মিলের মাংস দিয়ে স্যারের বিবাহ বার্ষিকীর ভোজ! শান্তিপুরের স্কুলে তুমুল শোরগোল
-
অফিসের ২৫ জনকে পুলিশি হেনস্তা! ভয় দেখিয়ে মিথ্যা বয়ান রেকর্ড, দাবি অভিষেকের
-
হোয়াটসঅ্যাপের পরে টেলিগ্রাম, সিগন্যাল! ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে নোটিস কেন্দ্রের
-
ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ে কেন্দ্র ও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতান্তর! বৈঠকে প্রশ্ন একাধিক সাংসদের
-
অ্যাসিড হামলায় কড়া আইনের দাবি, সরব মহিলাদের ক্ষমতায়ন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি