এসআইআর-এর চাপে যাতে জনমুখী প্রকল্পের কাজ ব্যাহত না হয়, তার জন্য আগেই ডিএম-সহ জেলাস্তরের আধিকারিকদের সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর এবার উন্নয়নমূলক কাজের নজরদারিতে জেলায় জেলায় পাঠানো হচ্ছে ২৩ জন শীর্ষ আধিকারিকদের। নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’, ‘পথশ্রী’-সহ রাজ্য সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ তদারকির জন্য সময়ে সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শীর্ষ আধিকারিকদের পাঠানো হয়। সেই প্রক্রিয়ারই অঙ্গ হিসাবে নতুন করে জেলা ও এলাকা ভাগ করে দেওয়া হল। উল্লেখ্য, এর আগে এসআইআর শুরুতেই বাংলায় প্রাক্তন আইএএস অফিসার সুব্রত গুপ্ত-সহ অবজার্ভারদের যখন নিয়োগ করেছিল কমিশন, ঠিক সেই সময়ও রাজ্য জেলাভিত্তিক অফিসার নিয়োগ করেছিল নবান্ন।
আরও পড়ুন:
নির্দেশিকা অনুযায়ী-কলকাতা দক্ষিণে- রাজেকুমার সিনহা (আইএএস), দক্ষিণ ২৪ পরগনা-ওঙ্কার সিং মীনা (আইএএস), পশ্চিম বর্ধমান-বন্দনা যাদব (আইএএস), মুর্শিদাবাদ-পারভেজ আহমদ সিদ্দিকি (আইএএস), মালদহ- ছোটেন ডি লামা (আইএএস), কলকাতা উত্তর- শান্তনু বসু (আইএএস), নদিয়া- পি বি সেলিম (আইএএস), দার্জিলিং (শিলিগুড়ি বাদে) ও কালিম্পং- সৌমিত্র মোহন (আইএএস), বাঁকুড়া- পি মোহনগান্ধী (আইএএস), পুরুলিয়া- সঞ্জয় বনশল (আইএএস), পূর্ব বর্ধমান- শুভাঞ্জন দাস (আইএএস), হুগলি- অন্তরা আচার্য (আইএএস), হাওড়া- শরদকুমার দ্বিবেদী (আইএএস), উত্তর ২৪ পরগনা-পি উলগনাথন (আইএএস), ঝাড়গ্রাম-কৌশিক ভট্টাচার্য (আইএএস), পশ্চিম মেদিনীপুর- পবন কাদিয়ান (আইএএস), দার্জিলিং শিলিগুড়ি মহকুমায় রাজর্ষি মিত্র (আইএএস), কোচবিহার-দক্ষিণ দিনাজপুর- চৈতালি চক্রবর্তী (আইএএস), পূর্ব মেদিনীপুর- রজত নন্দা (আইএএস), বিধানচন্দ্র রায় (ডব্লুবিসিএস), বীরভূম-পূর্ণেন্দুকুমার মাঝি (ডব্লুবিসিএস), জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার- সুনীল আগরওয়াল (ডব্লুবিসিএস), উত্তর দিনাজপুর- তানভির আফজল (ডব্লুবিসিএস)।
বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তাঁদের নির্ধারিত এলাকায় একেবারে ময়দানে নেমে কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন। রাজ্য সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পগুলির গতি ও মান বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে নবান্ন সূত্রে খবর। প্রকল্পগুলির কাজ নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা, কোথাও প্রকল্পে দেরি হলে বা মানুষের কোনও অভিযোগ থাকলে তার দ্রুত এবং নিশ্চিত সমাধান করাও এই শীর্ষ আমলাদের দায়িত্ব থাকবে। তাঁদের আরও বলা হয়েছে, জন-অভিযোগের নিষ্পত্তি যাতে সঠিক সময়ে ও যথাযথভাবে হয়, তার জন্য বিশেষভাবে নজর রাখতে হবে। প্রয়োজনে নবান্নে ফিডব্যাক, রিপোর্ট ও সুপারিশও পাঠাবেন এই শীর্ষ আধিকারিকরা। নির্বাচনের আগে দ্রুত সরকারি প্রকল্পগুলির কাজ সেরে ফেলতে চায় রাজ্য সরকার। তাই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে