Manas Bhunia

‘এখনই গ্রেপ্তার নয়’, চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা মামলায় হাই কোর্টে স্বস্তি মানসের

রাজ্যে পালাবদলের পরই মানস ভুঁইঞার বিরুদ্ধে সবং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিকাশ কুমার টুং নামে এক যুবক।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৫:১৬

options
link
‘এখনই গ্রেপ্তার নয়’, চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা মামলায় হাই কোর্টে স্বস্তি মানসের
ফাইল ছবি।

কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তি পেলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ তথা রাজ্যের প্রাক্তন সেচমন্ত্রী মানস ভুঁইঞা (Manas Bhunia)। চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই মামলায় রক্ষাকবচ পেলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। আজ, সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, মানস ভুঁইঞা-সহ মামলার বাকি অভিযুক্তদের এই মুহূর্তে গ্রেপ্তার করা যাবে না। তবে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করতে হবে মানস ভুঁইঞাকে। শুধু তাই নয়, আদালতের অনুমতি ছাড়া সবংয়ের বাইরে তিনি যেতে পারবেন না বলেও নির্দেশ আদালতের।

Advertisement

যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে সবং থানার পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮(৪) এবং ৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করে। নোটিস পাঠানো হয় প্রাক্তন মন্ত্রীকে। এমনকী কয়েকঘণ্টা জেরাও করা হয় তাঁকে।

রাজ্যে পালাবদলের পরই মানস ভুঁইঞার বিরুদ্ধে সবং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিকাশ কুমার টুং নামে এক যুবক। তাঁর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর স্ত্রী মঞ্জু সাহু টুংকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। অভিযোগ তৎকালীন মন্ত্রী ডা. মানস রঞ্জন ভুঁইঞার মধ্যস্থতায় তৃণমূল নেতা শেখ আবু কালাম বক্স ও ভোলানাথদের মাধ্যমে পাঁচ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ১ মার্চ ২০২৬ তারিখে ‘CISB Services Private Limited’-এর অধীনে STEWARD পদে তেমাথানির সেচ বাংলোয় কাজে যোগ দেন মঞ্জু সাহু টুং। তাঁর ওয়ার্কম্যান রেজিস্টার নম্বর ছিল CISB/WB-46। পরিবারের দাবি, চাকরিতে যোগদানের পর নিয়মিত কাজ করলেও মাত্র দু’মাসের মাথায় গত ৬ মে তাঁকে জানানো হয় যে তাঁর চাকরি বাতিল করা হয়েছে। এমনকী চাকরি বাতিলের নির্দেশের কপিও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যুবকের অভিযোগের ভিত্তিতে সবং থানার পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩১৮(৪) এবং ৬১(২) ধারায় মামলা রুজু করে। নোটিস পাঠানো হয় প্রাক্তন মন্ত্রীকে। এমনকী কয়েকঘণ্টা জেরাও করা হয় তাঁকে। এরপরই মেদিনীপুর জেলা আদালতে আগাম জামিনের আর্জি করেছিলেন তিনি। কিন্তু ঘটনাচক্রে মামলার শুনানি স্থগিত হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী। সেই মামলায় এদিন কলকাতা হাই কোর্টে স্বস্তি পেলেন মানস ভুঁইঞা।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.