বিধ্বংসী আগুন কলকাতার বাগরি মার্কেটে, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ব্যবসায়ীদের

পাঁচঘণ্টা ধরে চলছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ। বন্ধ মার্কেটের সামনের রাস্তা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৮, ০৯:৪৪

options
link
বিধ্বংসী আগুন কলকাতার বাগরি মার্কেটে, বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ব্যবসায়ীদের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার গভীর রাতে ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শহর কলকাতায়। কলকাতার বাগরি মার্কেটে ভয়াবহ আগুনে ছড়াল চাঞ্চল্য। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চালাচ্ছে আগুন নেভানোর কাজ করছে দমকলের ৩০টি ইঞ্জিন।

Advertisement

[সোনা পাচারকাণ্ডে সিআইডির জালে পুলিশকর্তা ও সেনা আধিকারিক]

কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার মধ্যরাতে  ২ টো ৩৫ মিনিট নাগাদ ভয়াবহ আগুন লাগে বাগরি মার্কেটের একটি পুরনো বিল্ডিংয়ে। বিল্ডিংটির একতলা এবং দোতলায় দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ৩০ টি ইঞ্জিন। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলছে আগুন নেভানোর চেষ্টা। তবে সকাল আটটা পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। দমকল সূত্রে খবর, বিল্ডিংয়ে প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। যে কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকী আগুন নিয়ন্ত্রণের আনার সময়ও একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়। বিল্ডিংটির পাঁচ-ছ’তলায় অনেকগুলি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের মেশিন রয়েছে। আগুন লাগার ফলে সেগুলি ফেটেই বিস্ফোরণ কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ সেসব তলাও ঢেকেছে ধোয়া। তবে জল সরবরাহের কোনও সমস্যা হয়নি বলেই জানাচ্ছেন দমকলের কর্তারা। বিল্ডিংয়ে আগুন নির্বাপক যন্ত্রও ছিল বলে জানা গিয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শহরের ব্যস্ততম এই এলাকার মার্কেটে আগুন লাগায় প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে প্রাণহানির এখনও কোনও খবর নেই। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়, ডিজি ফায়ার এবং পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার। কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হয়েছে। গোটা ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ চলায় যান চলাচল বন্ধ বাগরি মার্কেটের সামনের রাস্তা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[দেড় বছর পর মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলেকে ফিরে পেল হতদরিদ্র পরিবার]

জানা যাচ্ছে, ১৯৫৫ সালে এই বিল্ডিংটি তৈরি হয়েছিল। প্রথমে দোতলা হলেও পরে তার উপর আরও কয়েকটি তলা নির্মান করা হয়। এই বিল্ডিংয়ে ছিল বেশ কিছু দোকান এবং অফিস। তবে গভীর রাত হওয়ায় দোকানে কেউ ছিল না। সেই কারণেই প্রাণহানির আশঙ্কা নেই বলেই খবর। তবে পুজোর আগে এমন ভয়ংকর আগুনে বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়লেন ব্যবসায়ীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.