দমদমের গোরাবাজার মার্কেটে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, জীবন্ত দগ্ধ হয়ে ২ জনের মৃত্যু

পুড়ে ছাই ১৫০টি দোকান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৮, ১০:০১

options
link
দমদমের গোরাবাজার মার্কেটে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড, জীবন্ত দগ্ধ হয়ে ২ জনের মৃত্যু

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সরস্বতী পুজো দিন সকালে শহরে বিপর্যয়। দমদমের গোরাবাজার মার্কেটে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। জীবন্ত দগ্ধ হয়েছে মারা গিয়েছেন ২ জন।  আগুনে পুড়ে ছাই মার্কেটের ১৫০টি দোকান। আগুন ছড়িয়েছে মার্কেট লাগোয়া একটি ব্যাঙ্কের শাখায়, এমনকী একটি বাড়িতেও। ২২টি ইঞ্জিন ব্যবহার করেও আগুন নেভাতে হিমশিম খান দমকলকর্মীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৮ ঘণ্টায় সময় লেগে যায়।  ঘটনায় এলাকায় তুমুল আতঙ্ক। মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। প্রাথমিকভাবে দমকলের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই কোনওভাবে আগুন লেগে গিয়েছে। খবর পেয়ে সোমবার সকালে গোরাবাজার মার্কেট পরিদর্শনের যান স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান হরিন্দর সিং ও ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট।

Advertisement

[একলা চলার প্রস্তাবে সায় সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির, ভোটাভুটিতে হার ইয়েচুরিপন্থীদের]

Advertisement

দমদমের প্রধান বাজার বলতে ক্যান্টনমেন্ট লাগোয়া গোরাবাজার মার্কেট। কিন্তু, এক রাতের আগুনে কার্যত ভস্মীভুত হয়ে গেল গোটা মার্কেটটাই। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে ১৫০টি দোকান। ঘটল প্রাণহানিও।  জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন ২ জন।  স্থানীয় বাসিন্দাদের জানিয়েছেন, রবিবার রাত দেড়টা নাগাদ আচমকাই আগুন লেগে যায় গোরাবাজার মার্কেটে। প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন। আগুন লেগে যায় মার্কেট লাগোয়া একটি ব্যাঙ্কের শাখায় ও একটি বাড়িতে। চোখের নিমেষে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে আগুন। তুমুল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ২২টি ইঞ্জিন। কিন্তু, এলাকাটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি হওয়ায় আগুন নেভাতে রীতিমতো বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের। সোমবার সকালেও পুড়ে যাওয়া দোকানে নিচে আগুন জ্বলছিল।  শেষপর্যন্ত প্রায় ৮ ঘন্টার চেষ্টায় বেলার দিকে আগুন পুরোপুরি নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হন দমকলকর্মীরা। আগুনে গোরাবাজার মার্কেটের বিপুল ক্ষতি হলেও, কেউ হতাহত হননি।

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এর আগেও গোরাবাজার মার্কেটে আগুন লেগেছিল। কিন্তু, তাতেও হুশ ফেরেনি মার্কেট কর্তৃপক্ষ ও দোকান মালিকদের। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা তো ঠিক ছিলই না, উলটে বিভিন্ন দোকানে প্রচুর পরিমাণ দাহ্য বস্তু মজুত করে রাখা হয়েছিল। সেই কারণেই এত অল্প সময়ের মধ্যে আগুন এত ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সোমবার সকালে গোরাবাজার মার্কেট পরিদর্শন করেন স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, দমদম পুরসভার চেয়ারম্যান হরিন্দর সিং ও ভাইস চেয়ারম্যান বরুণ নট্ট।

[তারাতলা গণধর্ষণ কাণ্ডে নয়া মোড়, ধৃতদের মোবাইলে মিলল অত্যাচারের ফুটেজ]

কিন্তু, কীভাবে আগুন লাগল গোরাবাজার মার্কেটে?  দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে কোনওভাবে আগুন লেগে গিয়েছিল। এদিকে সরস্বতী পুজো দিনেই এই বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে মাথায় হাত গোরাবাজার মার্কেটের ব্যবসায়ীদের। বিপুল ক্ষতির মুখে পড়েছেন তাঁরা।

[পূর্ব রেলের সঙ্গে গাঁটছড়া উবেরের, হাওড়া স্টেশনে মিলবে দারুণ সুবিধা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.