Beleghata

বেলেঘাটায় মৃত্যু বৃদ্ধার, মায়ের দেহ আগলে বসে মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ে

দুর্গন্ধ পেয়ে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৩, ১৯:২৩

options
link
বেলেঘাটায় মৃত্যু বৃদ্ধার, মায়ের দেহ আগলে বসে মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ে
ছবি: প্রতীকী

অর্ণব আইচ: দিন কয়েক আগে মৃত্যু হয়েছে বেলেঘাটার (Beleghata) ৯০ বছরের বৃদ্ধার। মৃত মাকে নিয়ে কী করবেন, ভেবে পাননি মানসিক ভারসাম্যহীন (Mentally Challenged) মেয়ে। আর তাই সেই দেহ আগলেই বসে ছিলেন তিনি। বেলেঘাটার বদন রায় লেনের ঘটনা। সোমবার প্রতিবেশীরা গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেন। তারপর পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নমিতা ঘোষ। 

Advertisement

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পরিবারের মা ও মেয়ে ছাড়া আর কেউ নেই। বৃদ্ধার স্বামীর গ্লাভসের কারখানা ছিল। বছর কয়েক আগে মারা গিয়েছেন। আর্থিক সংকটের মধ্যে ছিল পরিবারটি। বৃদ্ধার বছর চৌষট্টির মেয়ে বিধবা। মায়ের সঙ্গে বেলেঘাটার ভাড়া বাড়িতে থাকেন। বার্ধক্যের ভারে নুয়ে পড়া মহিলা অসুস্থতায় ভুগতেন। মেয়েও মানসিকভাবে সুস্থ নন।  মাঝেমধ্যে বাড়ির বাইরে তাঁকে দেখা যেত। কিছুদিন আগে এলাকার কলতলায় জল নিতে এসেছিলেন ওই মেয়ে। সেসময় কলতলায় পড়ে যান। তাঁকে তুলে বাড়িতে দিয়ে আসেন প্রতিবেশীরা। তারপর থেকে তাঁকে আর বাইরে দেখা যায়নি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ইডেন ফাইনালে আমরাই এগিয়ে’, সেমিতে জিতে একান্ত সাক্ষাৎকারে বাংলা অধিনায়ক মনোজ]

এদিকে গত কয়েকদিন ধরে নমিতাদেবীর বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরচ্ছিল। সন্দেহ হওয়ায় প্রতিবেশীরা বৃদ্ধার মেয়েকে এদিন প্রশ্ন করেন – তাঁর মা কোথায়? নির্বিকার মুখে জবাবে ওই মেয়ে জানান, মা মারা গিয়েছেন, কিন্তু বাড়িতেই আছেন। মেয়ের মুখে মায়ের মৃত্য়ুর খবর শুনে প্রতিবেশী সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেন।  পুলিশ গিয়ে  ঘটনাস্থল থেকে দেহ উদ্ধার করে। নমিতার মেয়েকেও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, দু-তিনদিন আগেই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। তবে বৃদ্ধার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: স্পিকারকে ‘অপমান’ বিরোধী দলনেতার! মুখ্যমন্ত্রী নিজে ক্ষমা চাওয়ায় সাসপেন্ড হয়েও রক্ষা শুভেন্দুর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.