প্রতারণার দায়ে শ্যালকের গ্রেপ্তারিকে ‘চক্রান্ত’ বললেন মুকুল রায়

ধৃত সৃজন রায়কে ১২ দিনের পুলিশ হেফাজত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০১৮, ১৪:০২

options
link
প্রতারণার দায়ে শ্যালকের গ্রেপ্তারিকে ‘চক্রান্ত’ বললেন মুকুল রায়

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেলে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ। এই অভিযোগে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়ের শ্যালক সৃজন রায়। এই গ্রেপ্তারির ঘটনায় অবশেষে মুখ খুললেন মুকুল রায়। গোটা ঘটনাকেই ‘চক্রান্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। মুকুলবাবু বলেন, একটা চক্রান্ত চলছে। যে কোনওভাবে মুকুল রায়কে আটকানোই এই চক্রান্তের লক্ষ্য। এদিকে শনিবার বারাকপুর আদালতে সৃজন রায়কে নিয়ে আসা হলে, শুরু হয়ে যায় বিক্ষোভ। আদালত চত্বরে ভিড় করে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। সঙ্গে ছিলেন অভিযোগকারীরাও।

Advertisement

[চলন্ত ট্রেনে মহিলার ছবি তুলে হেনস্তা, ধৃত রেলকর্মী]

প্রতারিতদের বক্তব্য, যখন মুকুল রায় রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখনই এই প্রতারণার ঘটনা ঘটে। চাকরি দেওয়ার নাম করে তাঁদের থেকে মোটা টাকার দাবি করেন সৃজন রায়। ৩.৫ লক্ষ টাকা করে তাঁদের থেকে নিয়েছেন ওই ব্যক্তি। ঘটনার সময়কাল ২০১২-র জুলাই মাস। এরপর প্রায় আট বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। রেলমন্ত্রীর পদ থেকে সরে এসেছেন মুকুল রায়। সরকার বদলেছে কেন্দ্রের। গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। তবে এখনও পর্য্ন্ত কোনও চাকরির কোনও খবর পাননি তাঁরা। কল লেটার তো অনেক দূরের ব্যাপার। এতদিনে কোনও সুরাহা না হওয়ায় চাকরি প্রার্থীরা বুঝতে পারেন প্রতারিত হয়েছেন। তারপরই বিভিন্ন থানায় সৃজন রায়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন প্রতারিত চাকরি প্রার্থীরা। অভিযোগ পেয়েই সৃজন রায়কে গ্রেপ্তার করতে আসরে নামে পুলিশ। এদিকে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় গিয়েছে প্রতারিতরা। এই খবর সৃজন রায়ের কানে যেতেই গা-ঢাকা দেন তিনি। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে রাজধানীর গোপন ডেরায় লুকিয়ে আছেন সৃজন। সেখানেই হানা দেন তদন্তকারীরা। বীজপুর থানার পুলিশ সৃজন রায়কে গ্রেপ্তার করে রাজ্যে নিয়ে আসে। শনিবার বারাকপুর আদালতে তোলা হলে ধৃতকে ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

Advertisement

যেদিন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক চুকিয়েছেন মুকুল রায়, তারপর থেকেই গ্রেপ্তার হচ্ছিল তাঁর অনুগামীরা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ গ্রেপ্তার হলেও অনেকেই এখনও পলাতক। আর্থিক প্রতারণা মামলায় গত বছরই মুকুল অনুগামী দেবাশিস দাসকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। বাগুইআটি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া পুরনো মামলায় আরও এক মুকুল অনুগামী পৃথ্বীশ দাশগুপ্তকেও গ্রেপ্তার করেছিল সিআইডি। এখনও খোঁজ চলছে জালিয়াতি মামলায় অভিযুক্ত মুকুল ঘনিষ্ঠ ছাত্রনেতা সুজিত সামের।

Advertisement

[গোষ্ঠী সংঘর্ষে রণক্ষেত্র বালিগঞ্জ, এক মহিলা-সহ আহত ৪]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.