বেলেঘাটার হাসপাতালে অজানা জ্বরে ভরতি যুবক, নিপা ভাইরাস নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

তীব্র আতঙ্ক ছড়াচ্ছে মহানগরে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০১৮, ১৭:৩৭

options
link
বেলেঘাটার হাসপাতালে অজানা জ্বরে ভরতি যুবক, নিপা ভাইরাস নিয়ে বাড়ছে আতঙ্ক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেরল থেকে কলকাতা। নিপা আতঙ্কে ত্রস্ত গোটা দেশ। সে আতঙ্ক ছড়াল কলকাতাতেও। বৃহস্পতিবার অজানা জ্বর নিয়ে বেলেঘাটা আইডিতে ভরতি হন রেজিনগরের এক যুবক। আর তার জেরেই মহানগরে বাড়ল নিপা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক।

Advertisement

 ঘরে ঢুকে বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন, চাঞ্চল্য শান্তিপুরে ]

Advertisement

জানা যাচ্ছে, বেঙ্গালুরুতে রাজমিস্ত্রির কাজ করতে গিয়েছিলেন ওই যুবক। ফেরেন দারুণ জ্বর নিয়ে। সেই সঙ্গে মাথা ব্যথা-সহ নানা উপসর্গ। এর জেরেই তিনি নিপায় আক্রান্ত বলে সন্দেহ জোরদার হয়। তাঁকে বেলেঘাটা আইডিতে ভরতি করা হয়। জানা যাচ্ছে, এই সংশয়ের কারণে তাঁকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি এটা নিপা ভাইরাসে আক্রান্তের ব্যাপার নয়। একইভাবে অভিযোগ খণ্ডন করেছে স্বাস্থ্য দপ্তরও।

Advertisement

 কেরলের আতঙ্ক বাংলায়, বারুইপুরের লিচুবাগানে খোঁজ নিপা ভাইরাসের ]

যদিও নিপা নিয়ে শহরবাসীর আতঙ্ক কিন্তু কাটছে না। ট্রাম-বাস থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে অবিরত চর্চা। কেরল থেকে কি কলকাতায় ভাইরাস এসে পৌঁছাল? তা নিয়েই জোর জল্পনা। এদিকে বারুইপুরের একটি লিচু বাগানে গতকাল নিপা ভাইরাসের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে বাদুড়ের বিষ্ঠার নুমনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যা থেকে ভাইরাস ছড়ানোর সম্ভাবনা প্রবল। এদিকে নিপা আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসতেই অবশ্য আগেভাগেই সতর্ক হয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ। ইতিমধ্যেই সন্দেহজনক নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। একই মডেলে প্রত্যেকটি মেডিক্যাল কলেজকে নমুনা সংগ্রহ করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তারা। পাশাপাশি সচেতনতা ছড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। আতঙ্কের মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাঃ অজয় চক্রবর্তী নিপা নিয়ে নির্দেশ জারি করে জানিয়েছেন, সন্দেহজনক কোনও উপসর্গ দেখলেই তা স্বাস্থ্য দপ্তরকে রিপোর্ট করতে হবে। প্রয়োজনে রোগীকে আইসোলেশনে রেখে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের ওই নির্দেশিকায় নিপা ভাইরাস আক্রান্ত হলে কী কী উপসর্গ দেখা দেয় তারও উল্লেখ রয়েছে।

এর আগে দু’দফায় এই মারণ ভাইরাস পশ্চিমবঙ্গে ৫০ জনের জীবন কেড়েছে। ২০০১ সালে শিলিগুড়িতে নিপার ছোবলে প্রাণ হারান ৪৫ জন। ২০০৭-এ নদিয়ায় পাঁচজন। এই প্রেক্ষাপটে ‘সাবধানের মার নেই’ আপ্তবাক্যটি মাথায় রেখেই নিপার সন্ধান জারি রেখেছেন ডাক্তার-গবেষকরা। বাদুড়ের বিষ্ঠার পাশাপাশি সংগ্রহ করা হচ্ছে বাদুড়ে খাওয়া ফলের নমুনাও।

[  বাগদায় তৃণমূল করার ‘অপরাধে’ আক্রান্ত চিকিৎসক, পুড়ে ছাই চেম্বার ]

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.