ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ঘরের বাইরে পা ফেলতে অপারগ বাড়ির কর্তা। তাঁর হয়ে তাঁর রেশন (Ration) তুলে দিতে পারবেন তাঁর প্রতিবেশী। নিয়মের উলটো পথে হেঁটে আপাতত ৩ মাসের জন্য এই ছাড় দিচ্ছে রাজ্য খাদ্য দপ্তর। বাড়ির কর্তা তাঁর হয়ে তাঁর পরিচিত দু’জনকে এক্ষেত্রে ‘নমিনি’ করে দিতে পারবেন।
তবে আইনের বাঁধনও রাখছে খাদ্য দপ্তর। রেশন যে-ই তুলুন না কেন, তাঁরও রেশন কার্ড থাকতে হবে। দুই গ্রাহকের রেশন দোকান এক হতে হবে। এবং বিকল্প ব্যক্তিটির রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার সংযুক্তিকরণ করা থাকতে হবে। আর অবশ্যই মূল গ্রাহকের মতোই আঙুলের ছাপ দিয়েই তাঁকে রেশন তুলতে হবে। সদ্য এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে খাদ্য দপ্তর।
এভাবে ‘নমিনি’তে ছাড় দেওয়ার কারণ কী? দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে, এটা একেবারেই গ্রাহকের সুবিধার্থে এই সুযোগ। তা-ও মাত্র ৩ মাসের জন্য। এভাবে ৩ মাসের ছাড় দেওয়ার কারণ কী? গোটা রাজ্যের গ্রাহকের মধ্যে ৭০ শতাংশের কাছাকাছি রেশন ও আধার কার্ডের সংযুক্তিকরণ হয়েছে। বাকিদের কাজ চলছে। হয় অনেকে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না, বা কেউ কোনও না কোনও সুযোগের অভাবে তা করিয়ে উঠতে পারেননি। দপ্তরের আধিকারিকরা বলছেন, তাঁদেরও আধার কার্ড সংযুক্তিকরণের কাজটা এই ফাঁকে হয়ে যাবে। মূল উদ্দেশ্য এটাই।
[আরও পড়ুন: মামীর সঙ্গে ভাগ্নের ‘পরকীয়া’, চরম পরিণতির সাক্ষী দুর্গাপুর]
এর মধ্যে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চে একটি মামলায় জিতেছে রেশন ডিলারদের সংগঠন। রেশন দোকান থেকে আধার কার্ড সংযুক্তিকরণের কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। রেশন ডিলাররা অনিচ্ছায় সেই কাজ শুরুও করেন। কাজে গতি আনতে পাশাপাশি ওয়েবেলকেও একই দায়িত্ব দেওয়া হয়। দু’টি ক্ষেত্রেই কার্ড পিছু কিছু অর্থ বরাদ্দও করা হয়েছিল। কিন্তু রেশন ডিলারদের সামান্য গাফিলতিতেই তাঁদের শোকজ করা হচ্ছিল। তার জেরেই শেষ পর্যন্ত মামলা করে দেন ডিলাররা। তাতেই ডিভিশন বেঞ্চের রায়, এভাবে সরকার তাদের শোকজ করতে পারবে না। এর জেরেই রেশন দোকান থেকে আধার সংযুক্তিকরণের কাজ আপাতত বন্ধ। স্বাভাবিকভাবেই কাজের গতিও কমবে। সেই কারণেই গ্রাহকদের এই সুবিধা দিয়ে ঘুরপথে এমন ছাড়ের ঘোষণা করেছে খাদ্য দপ্তর।
‘নমিনি’ নিয়োগ করার একটি ফর্মও পাওয়া যাচ্ছে। খাদ্য দপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে সেই ফর্ম নামিয়ে তা পূরণ করে রেশন দোকানে জমা দেওয়া যেতে পারে। অথবা রেশন দোকান থেকেও এই ফর্ম ১৫ পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে রেশন গ্রাহকের গোটা পরিবারের সমস্ত তথ্যর সঙ্গে নমিনির যাবতীয় তথ্যও তুলে দিতে হবে। ওই গ্রাহকের কোন রেশন কার্ড রয়েছে, অর্থাৎ কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের কোন খাদ্য প্রকল্পের অধীন তিনি, তাও উল্লেখ করে দিতে হবে ওই ফর্ম ১৫-তে।
[আরও পড়ুন: খুল্লামখুল্লা প্রেম! পার্ক স্ট্রিটের রাস্তায় বান্ধবী কিম শর্মাকে চুমু লিয়েন্ডারের, ছবি ভাইরাল]
সর্বশেষ খবর
-
সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পরই মেসিকে ফোন ক্লোজের, কী কথা হল দুই কিংবদন্তির?
-
বিয়ের ৫ মাসেই মা! ছেলে হল না মেয়ে? কটাক্ষ-সমালোচনার মাঝে খোলসা করলেন ‘বিতর্কিত’ সুস্মিতা
-
মীর আউট, প্রকাশ ইন, প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক বদলে শক্তি বাড়ল শুভঙ্কর লবির!
-
নিউটাউনে আদানির হাসপাতালে গরিবদের জন্য বিশেষ পরিষেবা! ভূমিপুজো কবে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
-
খুনে অভিযুক্ত প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মন, ফাইল খুলতেই একযোগে তল্লাশি সিট-এসটিএফ-ফরেন্সিকের