কর্তব্যরত অবস্থায় এনআরএসের নার্সের রহস্যমৃত্যুকে (NRS Nurse Death) কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তোলপাড় বাংলা। ঠিক কী ঘটেছিল, কীভাবে মৃত্যু, সবটাই এখনও কার্যত ধোঁয়াশা। আত্মহত্যা না খুন, তাও এখনও জানা যায়নি। তবে সূত্রের খবর, মৃতার স্বামীর বক্তব্যে বেশ কিছু অসংগতি রয়েছে। তবে তাঁদের দাম্পত্যে কোনও সমস্যা ছিল বলে এখনও জানা যায়নি।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের বাসিন্দা ওই নার্স। বয়স ৩০ বছর। একটি ম্যাট্রিমনিয়াল সাইটে গাজিয়াবাদের এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই নার্সের। ৭-৮ মাসের মাথায় দুই বাড়ির সম্মতিতে ২০২৩ সালে আইনি বিয়ে সারেন তাঁরা। ২০২৫ সালের অক্টোবরে সামাজিক বিয়ে হয় যুগলের। বিয়ের পর স্ত্রীর জন্য কলকাতায় থাকতে শুরু করেন মৃতার স্বামী। তিনি পেশায় অ্যাকাউন্ট্যান্ট। সূত্রে খবর, বিয়ের পর থেকে দমদমে ভাড়া থাকতে শুরু করে ওই দম্পতি। আপাত দৃষ্টিতে সুখেই ছিলেন তাঁরা। কিছুদিন আগে বন্ধুদের সঙ্গে বেনারসে ঘুরতেও গিয়েছিলেন ওই নার্স।
জানা গিয়েছে, মৃত্যুর আগেও স্বামীর সঙ্গে কথা বলেছিলেন মৃতা। জানিয়েছিলেন, টানা বৃষ্টিতে কলকাতার বুকে অনেক জল জমেছে। তারপর আর তাঁদের মধ্যে কথা হয়নি বলেই খবর। স্বামী ছাড়া আর কার সঙ্গে কথা হয়েছিল মৃতার, তা জানতে মোবাইল খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, মৃতার স্বামীর বক্তব্যে বেশ কিছু অসংগতি মিলেছে। তাতেই প্রশ্ন জাগছে, যদি ঘটনাটা আত্মহত্যা হয়ে থাকে তবে এর নেপথ্যে দম্পতির মধ্যেকার কোনও দ্বন্দ্ব নয়তো? যদিও আত্মহত্যা না খুন, তা স্পষ্ট হওয়ার পরই এবিষয়টা পরিষ্কার হবে। উল্লেখ্য, নার্সের মৃত্যর তদন্তে এনআরএস হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যদপ্তর একটি অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করেছে। নীলরতন হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিডেন্ট, ক্লিনিং বিভাগ-সহ কয়েকটি বিভাগের প্রধানদের নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে এই কমিটি।
সর্বশেষ খবর
-
‘উন্নতি করো, নয়তো বাদ পড়তে হবে’, উইকেটরক্ষককে সোজা বলে দিলেন গিল-গম্ভীররা
-
‘যদি কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকি…’, নেতাজি প্রসঙ্গে কুমন্তব্য নিয়ে ‘সুরবদল’ অনন্ত মহারাজের
-
সিদ্ধার্থ নন, গর্ভবতী কিয়ারার ‘রক্ষাকবচ’ জনপ্রিয় অভিনেতা! প্রকাশ্যে কোন সত্যি?
-
ভারত বধে ওঁত পেতে রয়েছেন কিংস অফ গল, জোড়া স্পিনারের সামনে গুরু গম্ভীরের কঠিন পরীক্ষা
-
চিনকে শুল্ক ফাঁকি দিতে ‘ছায়া-বাণিজ্য’, ভারত-সহ ৪০ দেশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ট্রাম্প প্রশাসন