আলিপুর চিড়িয়াখানায় ফের শোকের ছায়া। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় পায়ে সংক্রমণের জেরে সোমবার অকালে প্রাণ হারাল এক সিংহী। দু’বছর আগে নন্দনকানন থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানায় (Alipore Zoo) আনা হয়েছিল সিংহীটিকে। বয়স হয়েছিল প্রায় সাড়ে চার বছর। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে চিড়িয়াখানায় বিশ্বাস নামে এক সিংহের মৃত্যু হয়েছিল। বছর খানেক পর অন্তঃসত্ত্বা সিংহীর মৃত্যুতে পশুরাজের বংশবিস্তার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াল।
আরও পড়ুন:
বিশেষ সূত্রে খবর, সোমবার মৃত সিংহীটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল। তার পায়ে সংক্রমণ হয়েছিল। পা থেকে লোম, চামড়া উঠে যাচ্ছিল। খাঁচাবন্দি করে তারই চিকিৎসা চলছিল। রবিবার তার অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তড়িঘড়ি অ্যাম্বুলেন্সে করে চিড়িয়াখানার বিপরীতে থাকা পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি।
বিশেষ সূত্রে খবর, সোমবার মৃত সিংহীটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল। তার পায়ে সংক্রমণ হয়েছিল। পা থেকে লোম, চামড়া উঠে যাচ্ছিল। খাঁচাবন্দি করে তারই চিকিৎসা চলছিল। রবিবার তার অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তড়িঘড়ি অ্যাম্বুলেন্সে করে চিড়িয়াখানার বিপরীতে থাকা পশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তাকে বাঁচানো যায়নি। ময়নাতদন্তের পর সোমবারই হাওড়ার গড়চুমুকে তার দেহ সৎকার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চিড়িয়াখানা সূত্রে খবর, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলেই সিংহীর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
উল্লখ্য, হায়দরাবাদের চিড়িয়াখানা থেকে আসা সিংহ দম্পতি শ্রুতি ও বিশ্বাস ২০১৯ সালে তিন শাবকের জন্মদিয়েছিল। তারপর থেকে আর কোনও সুখবর ছিল না সিংহ পরিবারটিতে। গত ২০২৪ সালে আগস্টে নন্দনকানন থেকে একটি পুরুষ ও স্ত্রী সিংহকে নিয়ে আসা হয় আলিপুরে। নতুন জুটির মাধ্যমে পশুরাজের বংশবৃদ্ধির চেষ্টা করছিল কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে গত বছর জুলাই মাসে মারা যায় বিশ্বাস। বার্ধ্যকজনিত রোগে ভুগছিল সে। এর আগেও গত বছর সেপ্টেম্বর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জোড়া বাঘিনীর মৃত্যু হয়েছিল। তার ঠিক তিনমাসের মধ্যে আরও এক তরতাজা বাঘিনী মারা গিয়েছিল। কিছুদিন আগে তিন শকুনেরও মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে।
পরপর পশুমৃত্যুর ঘটনায় সেবার পশুপ্রেমীরা চিড়িয়াখানার চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এবারও পশুপ্রেমীরা একই অভিযোগ করছেন। তাঁদের অভিযোগ, সিংহীটির বয়স অল্প ছিল। সময়মতো রোগ নির্ণয় করে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করা হলে হয়তো এই মৃত্যু এড়ানো যেত। এনিয়ে আলিপুরে সিংহের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে চারটি। তার মধ্যে একটি পুরুষ ও তিনটি স্ত্রী। তিন সিংহী হল – শ্রুতি ও তার দুই কন্যা। কিন্তু এদের দিয়ে আর প্রজনন করা যাবে না। তাই বাইরে থেকে সিংহী নিয়ে এসে প্রজননের চেষ্টা করা হচ্ছিল। এদিকে সঙ্গীকে হারানোর পর মর্মাহত পুরুষ সিংহটি। খাওয়াদাওয়াও কমিয়ে দিয়েছে বলে খবর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সস্তা জনপ্রিয়তার লোভ! মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ ভিডিও, শ্রীঘরে ইনফ্লুয়েন্সার তরুণী
-
‘বলিউডের দেশাত্মবোধক ছবি নিয়ে উচ্চবাচ্য নেই, অথচ পাকিস্তানি শিল্পীকে তোল্লাই’, দিলজিৎকে খোঁচা মিকার
-
‘হিরো’ মচ্ছরকে কুর্নিশ, ‘বাংলা থেকেও তৈরি হবে রাষ্ট্রবাদী পাইলট’, বললেন শুভেন্দু
-
প্রেমিকার সঙ্গে মোমো ডেট! হাতেনাতে ধরতে সটান স্বামীর গাড়ির বনেটে স্ত্রী, তারপর যা হল…
-
ভারতের সঙ্গে ব্রাজিলের নির্বাচন গুলিয়ে ফেললেন ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘ভীমরতি’তে হাসির রোল