RG Kar

‘সঞ্জয় একা ছিল না, সব প্রমাণ আছে’, অভয়া কাণ্ডে বিস্ফোরক শান্তনুর নিশানায় উত্তরবঙ্গ লবি!

তথ্যপ্রমাণ হিসেবে ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ রিপোর্টের কথা উল্লেখ করলেন তৃণমূল নেতা তথা আর জি করের প্রাক্তনী শান্তনু সেন।

Advertisement
রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ১৯:০০

options
link
‘সঞ্জয় একা ছিল না, সব প্রমাণ আছে’, অভয়া কাণ্ডে বিস্ফোরক শান্তনুর নিশানায় উত্তরবঙ্গ লবি!
অভয়া কাণ্ডে জড়িত আরও! বিস্ফোরক শান্তনু সেন

দু’বছর পর অভয়া কাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন সদ্য পদত্যাগী তৃণমূল নেতা তথা আর জি করের প্রাক্তনী ডাক্তার শান্তনু সেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’কে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাঁর খোলাখুলি দাবি, ‘‘আমি জানি, সেদিন সঞ্জয় রায় একা ছিল না, আরও অনেকে ছিল। আমি ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, ডিএনএ রিপোর্ট খুব ভালো করে দেখেছি। তাতে সব উল্লেখ করা ছিল। দরকারমতো আমি সেসব তথ্যপ্রমাণ দিয়ে তদন্তে সাহায্য করব। আগেও তদন্তে সহযোগিতার কথা বলেছি, কিন্তু তা গ্রহণ করা হয়নি।” তাঁর নিশানায় তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা  তথা মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ, বিখ্যাত চিকিৎসক-বিধায়ক ডাঃ সুদীপ্ত  রায় ও তৎকালীন অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষ। সেইসঙ্গে উত্তরবঙ্গ লবিরও যে এই ঘটনায় বড়সড় যোগ আছে, অভিযোগ তুললেন তা নিয়েও।

Advertisement

উল্লেখ্য, এই একই দাবি বারবারই জানিয়ে এসেছেন অভয়ার মা-বাবা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, একা সঞ্জয় রায় দোষী নয়, তার সঙ্গে অনেক প্রভাবশালীই জড়িত ছিল। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন করে খুলেছে আর জি কর ফাইলস। এবার নতুন তদন্তে সত্যিটা প্রকাশের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অভয়া কাণ্ড নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন শান্তনু সেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমি যখন দ্বিতীয়বার আর জি করের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হই,  তখন থেকে বুঝতে পারছিলাম যে আর জি করের মধ্যে একটা ভয়ংকর আঁতাঁত হচ্ছিল। মদত ছিল অতীন ঘোষ, ডাঃ সুদীপ্ত রায়, তখনকার অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষের। আমি কিন্তু সেসময়ই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ-সহ নবান্নের একেবারে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে গিয়ে নালিশ করেছিলাম। ভেবেছিলাম, কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিন্তু তা তো হয়ইনি। বরং আমাকে নানাভাবে মুখ বন্ধ করে রাখার চেষ্টা হয়েছে। এরপর অভয়ার ঘটনা ঘটল। তখন আমি  হয়ে গেলাম হুইসল ব্লোয়ার। আমাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল।”  

ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকে দলের বহু নেতাই সমালোচনায় মুখর। তার মধ্যে অন্যতম দলের দীর্ঘদিনের চিকিৎসক-নেতা শান্তনু সেন। তিনি আগেই আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলায় শুভেন্দু সরকারের প্রতি বার্তা দিয়েছিলেন। তার ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলের জাতীয় মুখপাত্রের পদ ছেড়েছেন। তারপরই অভয়া কাণ্ড নিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমি যখন দ্বিতীয়বার আর জি করের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হই,  তখন থেকে বুঝতে পারছিলাম যে আর জি করের মধ্যে একটা ভয়ংকর আঁতাঁত হচ্ছিল। মদত ছিল অতীন ঘোষ, ডাঃ সুদীপ্ত রায়, তখনকার অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষের। আমি কিন্তু সেসময়ই সমস্ত তথ্যপ্রমাণ-সহ নবান্নের একেবারে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে গিয়ে নালিশ করেছিলাম। ভেবেছিলাম, কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কিন্তু তা তো হয়ইনি। বরং আমাকে নানাভাবে মুখ বন্ধ করে রাখার চেষ্টা হয়েছে। এরপর অভয়ার ঘটনা ঘটল। তখন আমি  হয়ে গেলাম হুইসল ব্লোয়ার। আমাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল।”  

Advertisement

শান্তনু সেনের আরও বক্তব্য, ‘‘তখন আমার মেয়ে আর জি করে পড়ছিল। এমবিবিএস শেষ পর্যায়ে। কিন্তু তখনকার অধ্যক্ষ বারবার ওকে হুমকি দিত, ফেল করিয়ে দেবে। কলেজের কেউ ওর সঙ্গে ল্যাবে কাজ করত না, ক্যান্টিনে খেতে যেত না, ঘুরতে যেত না। বুঝতে পারছিলাম, ওকে টার্গেট করা হচ্ছে। এমনকী এমবিবিএস শেষ হওয়ার পর সার্টিফিকেটও না দিতে পারত। ভাগ্যিস ও বাড়ি থেকে যাতায়াত করত। এই অবস্থাতেও আমি দলকে বারবার ওখানকার আর্থিক দুর্নীতির কথা, অন্যান্য বেআইনি কাজের কথা বলেছিলাম। এমন নয় যে আজ বিজেপি সরকার এসেছে বলে আমি এত কিছু বলছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.