RG Kar Case

আর জি কর ইস্যু: মিলল না ধর্মতলায় ধরনার অনুমতি, এবার হাই কোর্টে চিকিৎসকরা

আর জি কর ধর্ষণ ও খুন মামলায় সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলের জামিন হতেই ফুঁসে উঠেছে চিকিৎসকদের সংগঠন। ফের ধরনার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। ১৮ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধর্মতলায় ধর্নার অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৪, ১৩:১৭

options
link
আর জি কর ইস্যু: মিলল না ধর্মতলায় ধরনার অনুমতি, এবার হাই কোর্টে চিকিৎসকরা

গোবিন্দ রায়: আর জি কর ধর্ষণ ও খুন মামলায় সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডলের জামিন হতেই ফুঁসে উঠেছে চিকিৎসকদের সংগঠন। ফের ধরনার পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। ১৮ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ধর্মতলায় ধর্নার অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে। তাতে কাজ না হওয়ায় এবার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আগামিকাল শুনানির সম্ভাবনা।

Advertisement

আর জি কর কাণ্ডের (RG Kar Case) তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বাড়ছিল অসন্তোষ। গত শুক্রবার আর জি করের হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল জামিন পাওয়ায় সেই অসন্তোষ আরও বেড়েছে। জামিনের বিরোধিতা, সিবিআই-কে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দেওয়ার দাবিতে ধর্মতলায় ধরনায় বসার সিদ্ধান্ত নেন ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টরস। ১৮ থেকে ২৬ ডিসেম্বর ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে অস্থায়ী বিক্ষোভ মঞ্চ তৈরি করতে চান সংগঠনের সদস্যরা। সেই আবেদন জানিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মাকে মেল করা হয়। কিন্তু মেলেনি পুলিশের অনুমতি। এর পরই মঙ্গলবার সকালে ধরনার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হলেন চিকিৎসকরা।

Advertisement

উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনার মাসখানেক পর তথ্যপ্রমাণ আড়াল করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় টালা থানার তৎকালীন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। পরে গ্রেপ্তার হন তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষও। তবে ঘটনার তদন্তে নেমে ৯০ দিনেও এই দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করতে না পারায় ১৩ ডিসেম্বর তাঁদের জামিন দেয় শিয়ালদহ আদালত। আর তাতেই কার্যত খেপে উঠেছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের দাবি, সিবিআইয়ের এই তদন্তে স্বচ্ছতা নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.