গোবিন্দ রায়: জেলে যেতে চান গ্রুপ সি (Group C) -র কর্মীরা! কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) দাঁড়িয়ে চাকরিহারা গ্রুপ সি কর্মীদের কাতর আরজি, “দুর্নীতি মন্ত্রী তো জেলে। আমাদেরও জেলে পাঠান। তাহলে তো অন্তত উপোস করে থাকতে হয় না।” পাশাপাশি সিবিআইয়ের উদ্ধার করা ওএমআর শিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। সিবিআইকে মামলার পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ চাকরি গিয়েছে গ্রুপ সি-র ৮৪২ জনের। তাঁরা পালটা বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের ডিভিশনের বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। মঙ্গলবার সেই শুনানি চলাকালীন এজলাসে দাঁড়িয়ে চাকরিহারাদের কাতর আরজি, “দুর্নীতির মন্ত্রী জেলে। শিক্ষাদপ্তরের বহু আধিকারকিরাও জেলে। আমাদেরও ওখানে পাঠিয়ে দিন। ওখানে অন্তত খেতে দেয়। উপোস করে থাকতে হবে না।”
[আরও পড়ুন: সিভিক ভলান্টিয়ার্সদের কাজ কী? রাজ্যকে গাইডলাইনস তৈরির নির্দেশ হাই কোর্টের]
শুনানি চলাকালীন সিবিআইয়ের উদ্ধার করা নথি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন চাকরিহারারা। তাঁদের প্রশ্ন,এই OMR শিট যে আমাদের OMR শিট সেটা কে নিশ্চিত করল? এখন তো বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে এই ধরনের নথি বিকৃত করা যায়। আমাদের OMR শিট যে বিকৃত করা হয়নি তার নিশ্চয়তা কোথায়? এগুলি তো NYSA-র অফিস থেকে উদ্ধার হয়নি, এগুলি তো তাঁদের এক প্রাক্তন কর্মীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে। এর যথার্থতা কে মূল্যায়ন করল?
প্রশ্নের জবাবা আদালতে এসএসসি জানায়, “নথি সবসময়ই বিকৃত করা সম্ভব, কিন্ত প্রশ্ন হল সেটা করা হয়েছে কি না? সিবিআই আমাদের যে নথি দিয়েছে সেটা আমরা খতিয়ে দেখে তারপর আমাদের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যা ভুল আগে হয়েছে সেটা আমরা সংশোধন করার চেষ্টা করছি।” এরপর মামলায় সিবিআইকে পার্টি করার নির্দেশ দেয় আদালত। আগামী কাল অর্থাৎ বুধবার ফের শুনানি।
[আরও পড়ুন: প্যান-আধার লিংক করতে হাজার টাকা কেন? মোদিকে চিঠি অধীরের]
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় লিচু-বিপ্লব! অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবাদে আকাশপথে ভিনরাজ্যে মরশুমি ফল
-
বয়সকে তুড়িতে উড়িয়ে দুর্গম ‘মুকার বে’ শৃঙ্গ জয় ষাটোর্ধ্ব বসন্তর
-
গাড়িতে বোমা, প্রাক্তন প্রেমিকাকে অপহরণ করে ‘সহমরণে’র ফাঁদ, তারপর…
-
‘ককটেল ২’ মুক্তির পরই কৃতীর প্রেমে ইতি? কবীরের বাহুলগ্না অন্য নারী! ভাইরাল ছবি
-
পুকুরেই হবে ইলিশ চাষ, মিলবে গোটা বছর! বাংলার গবেষণায় বিশ্বজোড়া রেকর্ডের পথে কাকদ্বীপ