ভোটের সঙ্গে জুড়ে গেল সত্যজিৎ রায়ের নাম, জানেন কীভাবে?

ভোটারদের বুথমুখী করতে অভিনব উদ্যোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১২, ২০১৯, ১৯:৪০

options
link
ভোটের সঙ্গে জুড়ে গেল সত্যজিৎ রায়ের নাম, জানেন কীভাবে?

শুভঙ্কর বসু: সত্যজিৎ রায়ের ‘এক ডজন গপ্পো’-র অনুপ্রেরণায় এবার ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে ১২টি তথ্যচিত্র তৈরি করছে উত্তর কলকাতা নির্বাচনী দপ্তর।

Advertisement

গোটা রাজ্যে ৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে উত্তর কলকাতার ভোটের হার সবচেয়ে কম। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে ভোটদানের গড় হার যেখানে ৮২.২২ শতাংশ, সেখানে উত্তরে ভোটের হার ছিল মাত্র ৬৬.০৮ শতাংশ। মূলত উত্তর কলকাতার ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উত্তর কলকাতার নির্বাচনী আধিকারিক (ডিইও) দিব্যেন্দু সরকার। এই ১২টি তথ্যচিত্রের মাধ্যমে ভোটের হার অনেকটাই বাড়বে বলে আশা করছে উত্তর কলকাতা ডিইও অফিস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[লোকসভায় তৃণমূলের প্রার্থী হচ্ছেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়-মালা রায়, ঘোষণা মমতার]

ইতিমধ্যেই তথ্যচিত্রগুলি তৈরির কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতার নাম করা থিয়েটার গ্রুপের ১০ জনকে নিয়ে একটি দল তৈরি করা হয়েছে। রয়েছেন ৫ জন ক্যামেরাম্যান ও টেকনিশিয়ানও। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যেই তথ্যচিত্রগুলির শুটিংও শুরু হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এমনিতেই ভোট সম্পর্কে সচেতন। বিগত নির্বাচনগুলিতে রাজ্যের প্রায় সবক’টি কেন্দ্রে ভোটের হার অন্তত সেকথাই বলছে। তবে উত্তর কলকাতার চিত্রটা কিন্তু অন্যরকম। বিধানসভা হোক বা লোকসভা নির্বাচন, প্রত্যাশা মতো ভোট পড়ে না। এই এলাকার মানুষের ভোট সম্পর্কে অনিহার কাটাতে এর আগে একাধিক প্রচার করেছে নির্বাচন কমিশন কিংবা উত্তর কলকাতা ডিইও অফিস। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভের লাভ কিছু হয়নি। এই এলাকায় ভোটদানে মানুষের জড়তা এখনও কাটেনি। ভোটদানে রাজ্যের গড় হার যেখানে ৮২.২২ শতাংশ সেখানে ২০১৪-য় কলকাতা উত্তরে ভোট পড়েছিল ৬৬.০৮ শতাংশ। এমনকী দক্ষিণ কলকাতাতেও ভোটের হার ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ। ২০০৭ ও ২০০৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও ভোটদানের হারে অনেকটাই পিছনে উত্তর। ২০০৯ ও ২০০৪-এর লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে ভোটদানের হার ছিল ৬৪.২০ ও ৭০.৪৭ শতাংশ। যেখানে ওই দু’ই ভোটে রাজ্যের ভোট দানের গড় হার ছিল, ৮১.৫ ও ৭৯ শতাশ। ডিইও অফিসের বক্তব্য, শুকনো প্রচারে যখন মানুষকে বুথমুখী করা যাচ্ছে না তখন অন্য কিছু প্রয়োজন ছিল। সেকারণেই এই উদ্যোগ। জানা গিয়েছে, কলকাতার অলিগলির মানুষের কথা তুলে ধরা হবে তথ্যচিত্রগুলিতে।

[লোকসভার আগে জনসংযোগে বাড়তি গুরুত্ব, বাসে সফর শোভনদেবের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন