Second Hooghly bridge

পরপর তিনদিন ভোরে বন্ধ দ্বিতীয় হুগলি সেতু, কোন পথে চলবে গাড়ি?

চলবে সংস্কারের কাজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৫, ১৯:০৩

options
link
পরপর তিনদিন ভোরে বন্ধ দ্বিতীয় হুগলি সেতু, কোন পথে চলবে গাড়ি?
ফাইল ছবি

নিরুফা খাতুন: চলতি মাসে পরপর তিনদিন ভোরে বন্ধ দ্বিতীয় হুগলি সেতু। চলবে সংস্কারের কাজ। সেই সময় বিকল্প পথে যাতায়াত করবে পণ্যবাহী এবং ছোট গাড়ি।

Advertisement

সূত্রের খবর, বিদ্যাসাগর সেতুর সংস্কার করা হবে। তাই আগামী ১৩, ১৪ এবং ১৫ জুন ভোর সাড়ে চারটে থেকে সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত এই সেতুতে গাড়ি চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। ওই তিনঘণ্টা লরির মতো ভারী পণ্যবাহী গাড়ি নিবেদিতা সেতু হয়ে কলকাতায় ঢুকবে। পাশাপাশি ছোট গাড়ি হাওড়া ব্রিজ দিয়ে চলাচল করবে। তবে সাড়ে সাতটার পর থেকে ফের বিদ্যাসাগর সেতু দিয়ে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

Advertisement

 

জানা গিয়েছে, জ়িরাট আইল্যান্ডের দিক থেকে এজেসি বোস রোড হয়ে যে সমস্ত গাড়ির বিদ্যাসাগর সেতুর দিকে আসার কথা, সেগুলি টার্ফ ভিউ থেকে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। তারপর তারা সেন্ট জর্জেস গেট রোড থেকে স্ট্র্যান্ড রোড হয়ে হাওড়া ব্রিজের দিকে যেতে পারবে। হেস্টিংস ক্রসিং থেকে কেপি রোডের দিকেও গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে।

আবার জওহরলাল নেহেরু আইল্যান্ডের দিক থেকে কেপি রোড হয়ে যে সমস্ত গাড়ি বিদ্যাসাগর সেতুর দিকে আসবে, সেগুলিকে ১১ ফারলং গেট দিয়ে হেস্টিংস ক্রসিংয়ের দিকে পাঠানো হবে। সেন্ট জর্জেস গেট রোড থেকে স্ট্র্যান্ড রোড হয়ে সেগুলি হাওড়া ব্রিজে যেতে পারবে।

খিদিরপুরের দিক থেকে সিজিআর রোড হয়ে যে সমস্ত গাড়ি বিদ্যাসাগর সেতুর দিকে আসবে, সেগুলি হেস্টিংস ক্রসিং দিয়ে বামদিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। সেন্ট জর্জেস গেট রোড থেকে স্ট্র্যান্ড রোড হয়ে সেগুলি হাওড়া ব্রিজে যেতে পারবে।

কেপি রোড দিয়ে বিদ্যাসাগর সেতুর দিকে আসা সব গাড়ি ওয়াই পয়েন্ট দিয়ে ১১ ফারলং গেটের দিকে পাঠানো হবে। সেগুলি রেড রোড হয়ে হাওড়া ব্রিজে যেতে পারবে।

হাওড়া, সাঁতরাগাছির বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে শহর কলকাতার সড়ক পথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম বিদ্যাসাগর সেতু বা দ্বিতীয় হুগলি সেতু। এছাড়া রাজ্যের প্রশাসনিক ভবন নবান্নের জেরে এই সেতু যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। নিত্যদিন প্রায় ছোট বড় মিলিয়ে কয়েক হাজার গাড়ি যাতায়াত করে। বয়সের নিরিখে বিদ্যাসাগর সেতু ৩৩ বছরে পা রেখেছে। ৮২৩ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি ভারতে দীর্ঘতম কেবল সেতু। সেতু নির্মাণের পর থেকে ২৭ বছর কেটে গিয়েছে। ফলে সেতু নির্মাণের কাজে ব‍্যবহৃত স্টে কেবল, হোল্ডিং ডাউন কেবল, ডেক স্ল‍্যাব, এক্সপ‍্যানশন জয়েন্ট প্রভৃতিরও আয়ু ২৫ বছরের বেশি হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই এখন সেগুলি বদলের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। সেতু বিশেষজ্ঞদের দাবি, কোনও সেতু দিয়ে টানা পঁচিশ বছর গাড়ি যাতায়াত করলেই তা সংস্কার প্রয়োজন। নইলে যে কোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে বড়সড় বিপদ। সেই সংস্কারের কাজের জন্যই বন্ধ থাকবে এই সেতুতে যান চলাচল। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.