Valentine's Day

‘ইজম’ ভুলে তরুণ মন পেতে ‘ভ্যালেন্টাইনস’ হাতিয়ার সিপিএমের, শূন্যের খরা কাটাতে বাজার রাজনীতিতেই ভরসা?

'বুর্জোয়া' বিরোধিতা ভুলে এসএফআইয়ের বার্তা, 'আমরা ভালোবাসার সাথে আছি।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৫, ১৮:৪৪

options
link
‘ইজম’ ভুলে তরুণ মন পেতে ‘ভ্যালেন্টাইনস’ হাতিয়ার সিপিএমের, শূন্যের খরা কাটাতে বাজার রাজনীতিতেই ভরসা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেম দিবস বা ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে তর্কবিতর্ক চলবেই। ভালোবাসার জন্য একটি নির্দিষ্ট দিন ঠিক করে দেওয়ার অর্থ কী, আদৌ এর যৌক্তিকতা আছে কি না – এসব প্রশ্নের জবাবে দীর্ঘ হবে কথোপকথন। এসব সত্ত্বেও তরুণ প্রজন্মের কাছে ১৪ ফেব্রুয়ারি এক বিশেষ দিন। সারাবছর অপেক্ষা করার মতো এক তিথি। ‘ফুল ফুটুক না ফুটুক’ – আজ ভ্যালেন্টাইনস ডে! সঙ্গীর হাতে হাত রেখে ভালোবাসায় ভরে মনে রাখার মতো একটি দিন।

Advertisement

কিন্তু কট্টরপন্থীরা এসবের ঘোর বিরোধী। জেন ওয়াই-এর হইহই করে ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন তাঁদের না পসন্দ। কোথাও কোথাও প্রেমিক-প্রেমিকাকে ঘনিষ্ট অবস্থায় দেখলেও রে রে তেড়ে আসছেন কেউ কেউ! এই অবস্থায় যুগলদের যে কোনও রকম হেনস্তা থেকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। তথাকথিত ‘বুর্জোয়া’ প্রথা বিরোধিতা ভুলে তাদের বার্তা, কোনও যুগলকে প্রেমের উদযাপনে বাধা দেওয়া হলে, এসএফআই-কে খবর দিতে। তারা পাশে থাকবে, সহযোগিতা করবে। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাদের ঘোষণা, ‘আমরা ভালোবাসার সাথে আছি।’ এসএফআইয়ের এহেন বার্তায় সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

Advertisement
প্রেমদিবসে SFI-এর সহযোগিতার বার্তা।

প্রেমের পবিত্রতা নিয়ে সংশয় না থাকলেও তার প্রকাশ কেমন হবে, সে বিষয়ে নানা বিধিনিষেধ চাপানোর উদ্দেশে ‘নীতি পুলিশি’ নতুন নয়। আরব দুনিয়ায় তো হাতে হাত রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরলে শাস্তির খাঁড়া নেমে আসে মেয়েদের উপর। তা অবশ্য সে দেশের আইনকানুনে পুরুষতান্ত্রিকতার আস্ফালনেরই প্রতিফলন। কিন্তু কোথাও কোথাও এমনও আছে, পথেঘাটে যুগল ঘনিষ্ঠ হলেই রক্তচক্ষু দেখান কট্টরপন্থীরা। এ বিষয়ে বজরং দল বা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ভূমিকা তো স্মরণীয়। কয়েক বছর আগেই তো প্রেমদিবস বয়কটের ডাক দিয়ে প্রেমিক যুগলের উপর ‘ফতোয়া’ জারি করেছিল বজরং দল। কোথাও কোথাও তা উপেক্ষা করায় তরুণ-তরুণীদের অত্যাচারও জুটেছে।

তেমন কোনও পরিস্থিতি শিকার হতে পারেন আজও। আর তেমনটা হলে পবিত্র সম্পর্কের পাশে থাকবে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই। সোশাল মিডিয়া পোস্টে তারা জানিয়েছে, নিজেদের ইচ্ছেমতো ভালোবাসা দিবসে উদযাপনে কেউ বিঘ্ন ঘটাতে এলে, এসএফআই হয়ে উঠবে ত্রাতা। ভ্যালেন্টাইনস ডে-কে ‘পশ্চিমী সংস্কৃতি’, ‘পুঁজিপতিদের স্বার্থ’ বলে দেগে দেওয়ার পর ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে বামেদের তরুণ প্রজন্মের আচমকা এহেন সমর্থনে প্রশ্ন উঠছে অনেকই। তবে কি শূন্যে গেরো কাটাতে এখন প্রেমের দ্বারস্থ হচ্ছেন মীনাক্ষী, দীপ্সিতা, সৃজনরা?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন