Shashi Panja

এবার রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে SIR শুনানিতে তলব, রবিতেই হাজিরার নির্দেশ

২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল শশী পাঁজার। এনুমারেশন ফর্মেও যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন তিনি। তা সত্ত্বেও হিয়ারিংয়ে ডাক পেয়ে বিরক্ত মন্ত্রী।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ১৫:৫২

options
link
এবার রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে SIR শুনানিতে তলব, রবিতেই হাজিরার নির্দেশ
এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছিলেন শশী পাঁজা। ফাইল ছবি

এবার এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা (Shashi Panja)।  নোটিসে রবিবার দুপুর দুটোয় তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল শশী পাঁজার। এনুমারেশন ফর্মেও যাবতীয় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়েছেন তিনি। তা সত্ত্বেও হিয়ারিংয়ে ডাক পেয়ে বিরক্ত মন্ত্রী। তিনি জানান, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নয়। অ্যাপের গলদে তাঁর নাম দেখাচ্ছে না ২০০২-এর তালিকায়। তাঁর কথায়, “আমি অবাক।” জানা যাচ্ছে, শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তৃণমূলের আইটি সেলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।

Advertisement

রাজ্যে অক্টোবরেই শুরু হয়েছে এসআইআর অর্থাৎ বিশেষ নিবিড় সংশোধন। সোজা কথায়, ভোটার তালিকা ত্রুটিমুক্ত করার কাজ চলছে। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়ার পর এবার চলছে শুনানি পর্ব। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, ম্যাপিংয়ে সমস্যা-সহ একাধিক কারণে বহু ভোটারকে তলব করা হচ্ছে শুনানিতে। ইতিমধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামী, দেব-সহ বহু বিখ্যাত মানুষ এসআইআরের শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবার সেই তালিকায় রাজ্যর মন্ত্রী তথা বিধায়ক শশী পাঁজা। রবিবার দুপুর ২ টোয় তাঁকে কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

গোটা বিষয়টায় স্বাভাবিকভাবেই বিরক্ত শশী পাঁজা। তিনি বলেন, “আমি ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আমার ২০০২ তে নাম আছে। কিন্তু কমিশন হুড়োহুড়ি করে কাজটা করাতে স্বাভাবিকভাবেই বিএলওদের অ্যাপ, সফটওয়্যার সবেতেই অনেক গলদ। এর ফলে ২০০২ এর লিস্টে আদতে আমার থাকলেও অ্যাপে নেই। তাঁরা হয়তো ভেবেছেন আলাদাভাবে এসে জিনিসটা করে দেবেন আমার ক্ষেত্রে। আমি বলেছি আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই আমি গিয়ে হাজিরা দেব।” তিনি আরও বলেন, “এটা আশ্চর্যজনক। আমি অবাক হয়েছি। আমার যখন ডাক পড়েছে, সাধারণ মানুষের তো…। এটা হাস্যকর।” এদিকে দেবাংশু ভট্টাচার্য এদিন ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন তিনিও শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবিষয়ে দেবাংশু জানান, তিনি নোটিস এখনও হাতে পাননি। তবে ২০০২ থেকে সব কার্ডে ওর পরিবারের সবার নামের বানান এক, মিডল নেমও আলাদা কিছু নেই। ফলে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে ডাকার প্রশ্ন নেই। কেন ডেকেছে নোটিস হাতে পেলে বুঝবেন।

Advertisement

শশী পাঁজা জানান, ২০০২ তে নাম আছে। কিন্তু কমিশন হুড়োহুড়ি করে কাজটা করাতে স্বাভাবিকভাবেই বিএলওদের অ্যাপ, সফটওয়্যার সবেতেই অনেক গলদ। এর ফলে ২০০২ এর লিস্টে আদতে আমার থাকলেও অ্যাপে নেই। তাঁরা হয়তো ভেবেছেন আলাদাভাবে এসে জিনিসটা করে দেবেন। আমি বলেছি আর সাধারণ মানুষের মতোই আমি গিয়ে হাজিরা দেব।

দেবাংশু ভট্টাচার্যের সোশাল মিডিয়া পোস্ট।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.