SIR in West Bengal

SIR নথি হিসাবে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন? ভোটারদের কী করণীয় জানাল কমিশন

এসআইআর শুনানি নিয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে ক্ষোভ বিক্ষোভের অন্ত নেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৩:০২

options
link
SIR নথি হিসাবে মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন? ভোটারদের কী করণীয় জানাল কমিশন
ফাইল ছবি

এসআইআর (SIR in West Bengal) শুনানি নিয়ে রাজ্যের নানা প্রান্তে ক্ষোভ বিক্ষোভের অন্ত নেই। তারই মাঝে আচমকা বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসাবে গ্রাহ্য নয়। তা নিয়ে সরব বিজেপি বাদে সব রাজনৈতিক দল। তবে যাঁরা ইতিমধ্যে জমা দিয়েছেন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, তাঁরা কী করবেন – তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। এই পরিস্থিতিতে দ্বিধাগ্রস্ত ভোটারদের জন্য নয়া নির্দেশিকা জারি করল কমিশন।

Advertisement

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, মূলত নো ম্যাপিং কিংবা এনুমারেশন ফর্মে তথ্যে অসংগতি থাকলে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এমন বহু ভোটার নথি হিসাবে শুনানিতে শুধুমাত্র মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা দিয়েছেন। তাঁদের আবার নথি জমা দিতে হবে। সশরীরে এসআইআর কেন্দ্রে কিংবা বিএলও-কে হোয়াটসঅ্যাপেও নথিপত্র জমা দেওয়া যেতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই বিএলও-র সঙ্গে আগে কথা বলে নিতে হবে। এরপর সেই নথি খতিয়ে দেখবে কমিশন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে রাজ্যে শুরু হয়েছে এসআইআর (SIR in West Bengal) প্রক্রিয়া। ২০০২ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী কাজ হচ্ছে। কারণ, সেবছরই শেষ ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের কাজ হয়েছিল। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বাংলা-সহ ১২ রাজ্যে ফের সেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০০২-এর ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে নিয়ম অনুযায়ী, এসআইআর শুনানিতে গিয়ে নিজের যথাযথ নথিপত্র দিয়ে নাম তোলার আবেদন জানাতে পারবেন ভোটাররা। এছাড়া যে কোনও অসংগতি বা ভুল সংশোধনের জন্যও নথি জমা দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে।

Advertisement

ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য নির্দিষ্ট ১৩ টি নথির উল্লেখ করেছিল কমিশন। জানা গিয়েছিল, তার মধ্যে ছিল না মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড। কিন্তু এই নথি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য – এই যুক্তিতে নাগরিকত্বের জন্যও তা গ্রহণ করার আবেদন জানানো হয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে। নানা স্তরে সেই আবেদন উঠেছিল। মনে করা হচ্ছিল, এই নথিটি গ্রাহ্য হবে। ইতিমধ্যে শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটারদের কাছ থেকে মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণির ফাইনাল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করেছেন বিএলও। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে নোটিস পাঠিয়ে জানানো হয়েছে, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গণ্য হবে না। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.