Smart meter

সরকারি কর্মীদের বাড়িতে বসাতেই হবে স্মার্ট মিটার, নির্দেশিকা নবান্নর

এই স্মার্ট মিটারগুলি প্রাথমিকভাবে পোস্ট-পেড হবে এবং এর বিলিং চক্র বা পদ্ধতি বর্তমান ব্যবস্থার মতোই বজায় থাকবে। তবে মিটার ইনস্টলেশন বা বসানোর কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর, কোনও গ্রাহক চাইলে নিজে থেকে প্রি-পেড ব্যবস্থার বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ০৯:৪০

options
link
সরকারি কর্মীদের বাড়িতে বসাতেই হবে স্মার্ট মিটার, নির্দেশিকা নবান্নর
সরকারি কর্মীদের বাড়িতে বসাতেই হবে স্মার্ট মিটার। ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত

রাজ্য সরকারি কর্মচারী-সহ সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের আবাসনে ডোমেস্টিক স্মার্ট ইলেকট্রিক মিটার বসানো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এবিষয়ে নবান্নের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাতে জানানো হয়েছে, সমস্ত রাজ্য সরকারি কর্মী, আধা-সরকারি সংস্থা, রাজ্যের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, কর্পোরেশন, আন্ডারটেকিং এবং অন্যান্য সমস্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের আবাসে এই স্মার্ট মিটার বসানো হবে, যাঁদের বেতন, পারিশ্রমিক বা সাম্মানিক সরাসরি রাজ্যের রাজকোষ থেকে দেওয়া হয় তাঁরা এর আওতায় পড়বেন। এই বিষয়ে সমস্ত বিভাগীয় প্রধান, রাজ্য পুলিশের ডিজি ও আইজিপি, সমস্ত ডিভিশনাল কমিশনার, কলকাতা পুলিশের কমিশনার এবং সমস্ত জেলাশাসকদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি তাদের মোট ৫৫৪টি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ১০৩টি কেন্দ্রকে এই কাজের জন্য বেছে নিয়েছে। এই ১০৩টি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের আওতাধীন এলাকাগুলিতে বিদ্যুৎ বণ্টনে ক্ষতির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি, যা রাজ্যের রাজকোষের উপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা তৈরি করছে। এই এলাকাগুলিতে কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে বাকি কাস্টমার কেয়ার সেন্টারগুলির আওতাধীন এলাকাতেও স্মার্ট মিটার বসানোর কাজ হাতে নেওয়া হবে।
গ্রাহকদের সুবিধার্থে জানানো হয়েছে যে, এই স্মার্ট মিটারগুলি প্রাথমিকভাবে পোস্ট-পেড হবে এবং এর বিলিং চক্র বা পদ্ধতি বর্তমান ব্যবস্থার মতোই বজায় থাকবে। তবে মিটার ইনস্টলেশন বা বসানোর কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর, কোনও গ্রাহক চাইলে নিজে থেকে প্রি-পেড ব্যবস্থার বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

Advertisement

একইসঙ্গে পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহারে উৎসাহিত করতে রাজ্যের সমস্ত সরকারি অফিসে রুফটপ সোলার প্যানেল বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফে। সরকারের মতে, এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন পরিচ্ছন্ন শক্তির ব্যবহার বাড়বে, তেমনই সরকারি দপ্তরগুলির বিদ্যুৎ খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী পাঁচ কিলোওয়াট পিক ক্ষমতার একটি রুফটপ সোলার প্রকল্প স্থাপনের জন্য প্রায় ৩০০ বর্গফুট জায়গা প্রয়োজন। বিভিন্ন সরকারি অফিসের ছাদ ও খোলা ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে পাঁচ থেকে ১৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.