কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বড়বাজারে বিক্রির চেষ্টা, বমাল গ্রেপ্তার পাচারকারী

জানেন কীভাবে বাংলাদেশ থেকে শহরে আসত সোনা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৮, ১৯:০৫

options
link
কোটি টাকার সোনার বিস্কুট বড়বাজারে বিক্রির চেষ্টা, বমাল গ্রেপ্তার পাচারকারী

অর্ণব আইচ: সোনা পাচারের নতুন রুট বাংলাদেশ থেকে আগরতলা হয়ে কলকাতা। সেই রুটেই শহরে এসে বেআইনি সোনার বিস্কুট বিক্রি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পাচারকারী। ধৃতের নাম বিকাশ ভৌমিক। তিন কেজি সোনার ২৫টি বিস্কুট উদ্ধার হয়েছে তার কাছ থেকে।

Advertisement

বেশ কয়েকদিন ধরেই সক্রিয় ছিল এই চক্র। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে আরব আমিরশাহী থেকে বেআইনিভাবে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হত সোনার বিস্কুট। সেখান থেকে পাচার হত আগরতলায়। আগরতলা থেকে দেশের অন্যান্য প্রান্তে পৌঁছে যেত। গত ফেব্রুয়ারি মাসে সোনা পাচার করতে গিয়ে পুলিশের জালে ধরা পড়ে গোবিন্দ রাহা নামে এক ব্যাক্তি। এরপর থেকেই পাচারকারীদের উপর নজর ছিল বড়বাজার থানার পুলিশের। আগরতলার উত্তর-পূর্বে নজরদারির জন্য রাখা হয়েছিল স্পেশ্যাল টিম। সেখান থেকেই বিকাশ ভৌমিকের খোঁজ পেয়েছিল পুলিশ।

Advertisement

[বাঙুর ইনস্টিটিউটের ঘটনায় মর্মাহত, স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে বললেন মমতা]

Advertisement

আগরতলার বাসিন্দা বিকাশ। চারজনের বিশেষ দল নজর রাখছিল তার উপর। দলে ছিলেন বোধিসত্ত্ব প্রামাণিক, সোমনাথ ঘোষ, মানস গোস্বামী, ও রাজীব বসু। আগরতলা থেকেই তার পিছু নেয় অফিসাররা। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে শিয়ালদহে এসে নামে বিকাশ। কিন্তু সেখান থেকে সরাসরি বড়বাজারে যায়নি সে। বরং তার বদলে আগে যায় ধর্মতলায়। সেখান থেকে জিপিও হয়ে স্ট্র্যান্ড রোড ধরে পৌঁছে যায় বড়বাজারের এক দোকানে। সেখানে সোনা বিক্রি করতে যেতেই বমাল ধরা হয় আগরতলার বাসিন্দাকে। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই পাচারচক্রে আর কে কে জড়িত রয়েছে, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। বড়বাজারের ওই দোকানের মালিককেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে।

[নেশামুক্তি কেন্দ্রে কিশোরীকে লাগাতার ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের মালিক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.