CM Suvendu Adhikari

‘ঝগড়া নিজেরা মেটান, মুখ্যমন্ত্রী তো বসে নেই’, বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি হতেই বার্তা শুভেন্দুর

বুধবার বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী বিধায়ক আলিফা আহমেদ অভিযোগ করেন, তাঁদের তরফে পাঠানো বক্তার নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে।

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুলাই ২২, ২০২৬, ১৭:০৪

options
link
‘ঝগড়া নিজেরা মেটান, মুখ্যমন্ত্রী তো বসে নেই’, বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি হতেই বার্তা শুভেন্দুর
বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি।

ফের বিরোধী দলনেতা নিয়ে বিভ্রান্তি বিধানসভায়! বুধবার বক্তব্য রাখতে উঠেও বসে পড়েন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযোগ তোলেন, তাঁদের তরফে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। তাতেই বিরোধী দলকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, ‘‘আপনারা নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। তা মেটানোর জন্য তো মুখ্যমন্ত্রী বা হাউস বসে নেই।”

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘এখানে অনেকগুলো দল আছে। কালীঘাটপন্থীরা আছেন। আরও অনেক বিরোধী দল – আইএসএফ, সিপিআইএম, কংগ্রেস সবাই আছে। আমরা চাই, সকলের বক্তব্যের সময় ভাগাভাগি করে দিক। আমি নিজে ৫ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। আমাদের চিফ হুইপ আছেন, তিনি হাউসে বলার টাইম দেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান।”

বিধানসভায় কালীঘাটপন্থী তৃণমূল অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন দলের বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আর ঋতব্রতপন্থীরা তাঁকে অর্থাৎ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বিধানসভায় অধিবেশন চলাকালীন কোন ‘বিরোধী দলনেতা’ বক্তব্য রাখবেন, তা নিয়ে দোটানায় পড়ে যায় বিরোধী দল। কারণ, একপক্ষের তরফে সচিবের কাছে একরকম বক্তা তালিকা জমা দেওয়া হয়। পরে অন্য শিবির অন্য তালিকা দেয়। ফলে বক্তব্য রাখার সময় গন্ডগোলের নজির নতুন নয়। বুধবারও তেমন পরিস্থিতি তৈরি হল। এদিন স্বরাষ্ট্র তথা পুলিশ দপ্তরের বাজেট নিয়ে আলোচনা চলছিল। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় কিছু বলতে ওঠেন। কিন্তু বলতে পারেননি। তাঁকে বসে পড়তে হয়।

Advertisement

এরপর কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদ উঠে বলেন, ‘‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। তা নিয়ে বলার আগে আমি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে কথা বলতে চাই। আমাদের মানে বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বক্তা হিসেবে যাঁদের নাম পাঠানো হচ্ছে, সেই নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। এতে অসুবিধা হচ্ছে। বিধানসভার সদস্য হিসেবে সকলের নির্দিষ্ট সময় আছে বক্তব্য রাখার জন্য। কে, কখন বলবেন, তা যদি আগে থেকে জানা যায়, তাহলে সুবিধা হয়। এটা নিয়ে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।”

Advertisement

আলিফার কথা শুনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) উঠে দাঁড়িয়ে তাঁকে জবাব দেন। তিনি বলেন, ‘‘এখানে অনেকগুলো দল আছে। কালীঘাটপন্থীরা আছেন। আরও অনেক বিরোধী দল – আইএসএফ, সিপিআইএম, কংগ্রেস সবাই আছে। আমরা চাই, সকলের বক্তব্যের সময় ভাগাভাগি করে দিক। আমি নিজে ৫ বছর বিরোধী দলনেতা ছিলাম। আমাদের চিফ হুইপ আছেন, তিনি হাউসে বলার টাইম দেন। আপনাদের নিজেদের ঝগড়া নিজেরা মেটান। এখানে তো মুখ্যমন্ত্রী বসে নেই সেই ঝগড়া মেটানোর জন্য। নিজেরা ঝগড়া মেটান আর সুষ্ঠুভাবে অধিবেশন চলতে দিন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.