Sourav Ganguly

‘বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত তৈরি হোক’, আর জি করের দোষীদের কঠোরতম সাজার দাবি সৌরভের

সাধারণ মানুষের পথে নামাকেও স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪, ০০:০৬

options
link
‘বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত তৈরি হোক’, আর জি করের দোষীদের কঠোরতম সাজার দাবি সৌরভের
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নৃশংস ধর্ষণ, খুন নিয়ে ফের মুখ খুললেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট দাবি, এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক যাতে গোটা বিশ্বের সামনে উদাহরণ তৈরি হয়। তবে বিচার পেতে যে সময় লাগবে তা তিনি মেনে নিয়েছেন। একইসঙ্গে সাধারণ মানুষের পথে নামাকেও স্বাগত জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক।

Advertisement

সোমবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সৌরভ। সেখানেই তাঁকে ‘অভয়া’ কাণ্ডে সুপ্রিম শুনানি নিয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি জানান, “আমি সুপ্রিম কোর্টের শুনানি সম্পর্কে এখনও কিছু জানি না। তবে চাইব অরাজনৈতিক মানুষ যে ভাবে রাস্তায় নেমেছেন, নির্যাতিতা মেয়েটি যেন সুবিচার পায়।” এর পরই ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের স্পষ্ট বার্তা, “যে বা যারা এই কাজটা করেছে, তাদের শাস্তি দিতেই হবে। এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক যাতে গোটা বিশ্বের সামনে উদাহরণ তৈরি হয়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: কর্মবিরতি চলবে, ফের স্বাস্থ্যভবন অভিযান, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশের পরও অনড় জুনিয়র ডাক্তাররা]

তবে বিচার পেচতে সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সৌরভও। একইসঙ্গে আমজনতার রাস্তায় নেমে প্রতিবাদকেও কুর্নিশ জানিয়েছেন তাঁর কথায়, “বিচার পেতে হয়তো সময় লাগে। কিন্তু সাধারণ মানুষ যে ভাবে রাস্তায় নেমেছেন, তা সত্যিই দেখার মতো।”

Advertisement

উল্লেখ্য, আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে পথে নামতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশের অনুমতি মেলেনি। তবুও মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শামিল হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। বেহালায় প্রতিবাদ মিছিল শেষ হওয়ার পরে মেয়ে সানাকে নিয়ে মোমবাতি জ্বালান ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। এবার দোষীদের কঠোরতম সাজার পক্ষে সওয়াল করলেন তিনি। 

আজকের অন্য একটি অনুষ্ঠানে সুপ্রিম নির্দেশ নিয়ে সৌরভপত্নী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “হ্যাঁ, এত লোক অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। অনেকে প্রাণ হারাচ্ছেন। লোকের অসুস্থতা তো আর কমছে না। এটা তো আমাদের কর্তব্য করা।” তাঁর সংযোজন, “রেপ-টেপ সব জায়গাতেই হয়। কিন্তু কলকাতার, বাংলার মতো এত প্রতিবাদ কোথায় হচ্ছে? এটা একটা বিশাল ব্যাপার। আমরা আজকেও একটা তাসের দেশ করছি। এটাও একটা রবীন্দ্রনাথের প্রতিবাদের সুর।”

[আরও পড়ুন: পুজোর উপহার থেকেও বঞ্চিত বাংলা! এবার পদ্মার ইলিশ পাঠাবে না বাংলাদেশ

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.