Mid Day Meal

মিড-ডে মিলে নতুন ভাবনা সরকারের! পাতে নয়, পড়ুয়াদের হাতে দেওয়া হবে ডিম?

মিড-ডে মিল নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সামনে এল নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত। রাজ্যের স্কুল পড়ুয়াদের পাতে রান্না করা ডিমের বদলে হাতে সেদ্ধ ডিম তুলে দেওয়ার ভাবনা চিন্তা করছে রাজ্য সরকার।

নব্যেন্দু হাজরা
নব্যেন্দু হাজরা

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৬, ২৩:২৬

options
link
মিড-ডে মিলে নতুন ভাবনা সরকারের! পাতে নয়, পড়ুয়াদের হাতে দেওয়া হবে ডিম?
ফাইল ছবি।

মিড-ডে মিল নিয়ে জল্পনার মধ্যেই সামনে এল নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত। রাজ্যের স্কুল পড়ুয়াদের পাতে রান্না করা ডিমের বদলে হাতে সেদ্ধ ডিম তুলে দেওয়ার ভাবনা চিন্তা করছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে খবর, স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর সেই ডিম খেয়ে পড়ুয়ারা যাতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন পায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

Advertisement

সম্প্রতি রাজ্যের মিড-ডে মিল প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়েছে ইসকন। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। কারণ, ইসকন নিরামিষ খাবার পরিবেশন করে। ফলে প্রশ্ন ওঠে, মিড-ডে মিলে পড়ুয়াদের জন্য ডিম বা অন্যান্য আমিষ খাবারের ব্যবস্থা কীভাবে হবে। এই পরিস্থিতিতে ডিম স্কুলে রান্না করে পরিবেশনের পরিবর্তে পড়ুয়াদের হাতে সেদ্ধ ডিম তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা শুরু হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। এতে একদিকে ইসকনের নিরামিষ নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা সম্ভব হবে, অন্যদিকে পড়ুয়ারাও বাড়িতে ডিম খেয়ে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে। যদিও এই বিষয়ে এখনও সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই নতুন ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে।

Advertisement

নবান্ন সূত্রে খবর, স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর সেই ডিম খেয়ে পড়ুয়ারা যাতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন পায়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে ইসকনের ‘অন্নামৃত ফাউন্ডেশন’ মাধ্যমে আজ থেকে স্কুলে স্কুলে পৌঁছে গিয়েছে মিড ডে মিল। ইসকনের মেগা কিচেন থেকে ইলেকট্রিক গাড়িতে রান্না করা খাবার শীল করা কন্টেনারে স্কুলে দেওয়া হয়। মিড ডে মিলের গুণমান ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। ইসকন থেকে গাড়ি স্কুলে পৌঁছনোর পর স্কুল কর্তৃপক্ষের সাক্ষর নেওয়া হয় ইসকনের তরফে। তারপরেই কনটেনারের সিল খোলা হয়। শুভেন্দু জানান, “আগামী ৩ মাসে আড়াই লক্ষ শিক্ষার্থীর পাতে মিড ডে মিল পৌঁছে দেওয়া হবে। মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। বহু মানুষ ও সংস্থার সাহায্য করেছেন ইসকনকে। শুধু বিকাশ নয়, ঐতিহ্য-সংস্কৃতিকে অগ্রগতির জন্য ত্রুটিপূর্ণ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।”

Advertisement

ইসকনের সমস্ত ব্যবস্থাপক-প্রচারক-সহযোগীদের ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ছাত্রছাত্রীদের স্কুলমুখী করা এবং সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্রে মিড মে মিলের সিদ্ধান্ত ভারতরত্ন প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ীজির মস্তিষ্কপ্রসূত যুগান্তকারী ভাবনা। বর্তমানে মোদিজির উদ্যোগে এগিয়ে এসেছেন বহু সংস্থা। তাদের সহযোগিতায় শিশুদের পাতে পৌঁছে যাচ্ছে সুষম আহার।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.