Sukanta Mazumdar

‘তোলাবাজি করে খেতে হলে তৃণমূল করুন’, দুর্নীতি ইস্যুতে বিজেপি কর্মীদের হুঁশিয়ারি সুকান্তের

"তোলাবাজি করে খেতে হলে তৃণমূল করুন।" এবার এমনই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি সরকার ১০০ দিন পার করে ফেলেছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১৫:২৬

options
link
‘তোলাবাজি করে খেতে হলে তৃণমূল করুন’, দুর্নীতি ইস্যুতে বিজেপি কর্মীদের হুঁশিয়ারি সুকান্তের
বিজেপি কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিলেন সুকান্ত। ফাইল ছবি

“তোলাবাজি করে খেতে হলে তৃণমূল করুন।” এবার এমনই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যে পালাবদলের পর বিজেপি সরকার ১০০ দিন পার করে ফেলেছে। সরকারে এলে তোলাবাজি, কাটমানি, দুর্নীতি কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। এমনই বার্তা ভোটের প্রচারে দিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। সরকার গঠনের পর দুর্নীতি ইস্যুতে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তারপরেও দুর্নীতি সম্পূর্ণ আটকানো যায়নি! বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির স্থানীয় নেতা-কর্মীরা দুর্নীতি, তোলাবাজিতে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ।

Advertisement

বিজেপিতে থাকতে হলে কোনওভাবে তোলাবাজি, দুর্নীতি করা যাবে না। এমনই বার্তা বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব বারবার দিচ্ছেন। দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এই প্রসঙ্গে বেশ কয়েকবার আগেই বার্তা দিয়েছেন। দুর্নীতি-সহ অন্যান্য অভিযোগ এলে ‘ডিমথেরাপি’র অভিমুখ নিজের দলের লোকেদের দিকে যে কোনও সময় ঘুরে যাবে। সেই আশঙ্কাও করেছেন তিনি। বিজেপিতে থাকতে হলে তোলাবাজি, দুর্নীতি করা যাবে না, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন শমীক। এবার সেই একই পথে হেঁটে হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

Advertisement

সুকান্ত বলেন, বিজেপিতে থেকে তোলাবাজি বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, “প্রয়োজনে কঠোর থেকে কঠোর ব্যবস্থা। বিজেপিতে পার্টি করে খাওয়ার ট্র্যাডিশন নেই। না হলে বিজেপি ছেড়ে অন্য কোনও দল করুন। তোলাবাজি করে খেতে হলে তৃণমূল করুন।” বিজেপির ঐতিহ্য মনে করিয়ে তিনি জানিয়েছেন, এই দল করে বা রাজনীতি করে ‘খাওয়ার’ বা উপার্জনের কোনও প্রথা নেই। কর্মীদের ত্যাগের মনোভাব নিয়ে আসতে হবে, অন্যথায় দল ছাড়াই শ্রেয়। শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন তিনি। বিজেপির কোনও নেতা ‘দাদাগিরি’ করলে, ভয় দেখালে সরাসরি পুলিশের কাছে এফআইআর দায়ের করতে বলেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “নেতা যত বড়ই হোক না কেন, দল তার পাশে দাঁড়াবে না।”

Advertisement

নিচুতলায় স্বঘোষিত বিজেপি হিসেবে তৃণমূলের বহু কর্মী নিজেদের পরিচয় দিচ্ছেন বলে অভিযোগ। এইসব ‘নব্য বিজেপি’ তোলাবাজি, দুর্নীতিতে জড়িয়ে যাচ্ছেন! এমনই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। দুর্নীতি-তোলাবাজি অভিযোগে রাজ্য বিজেপি দলের তরফে ২৫০ জনকে সাসপেন্ডও করেছে সম্প্রতি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.