Suvendu Adhikari

‘আইন হাতে তুলে নেবেন না’, নাম না করে অভিষেকের উপর হামলা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী!

শনিবার সোনারপুরে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ডিম-ইট ছোড়া শুধু নয়, তাঁর জামাও ছিঁড়ে দেওয়া হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২৬, ১৪:৫২

options
link
‘আইন হাতে তুলে নেবেন না’, নাম না করে অভিষেকের উপর হামলা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী!
'আইন হাতে তুলে নেবেন না', নাম না করে অভিষেকের উপর হামলা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী!

শনিবার সোনারপুরে গিয়ে জনরোষের মুখে পড়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ডিম-ইট ছোড়া শুধু নয়, তাঁর জামাও ছিঁড়ে দেওয়া হয়। নাম না করে সোমবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে সেই ইস্যুতে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “আমজনতার ক্ষোভ আছে। তৃণমূলের নেতা-বিধায়ক-সাংসদরা জনরোষের মুখে পড়ছেন। কিন্তু আমি বলব, আইন হাতে তুলে নেবেন না। পুলিশ রয়েছে, তাঁদের নিজেদের কাজ করতে দিন।”

Advertisement

পালাবদলের পর থেকে তৃণমূলের তরফে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে তাঁদের দলের নেতাদের উপর আক্রমণ করছে বিজেপির নেতা-কর্মীরা। যদিও পদ্মশিবিরের নেতারা বারবার দাবি করেছেন, তাঁদের কর্মীরা কোনও অশান্তির সঙ্গে জড়িত নয়। পাশাপাশি যদি দলের কেউ কিছু করে থাকে তাঁদের গ্রেপ্তারের নির্দেশও দিয়েছেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিষয়টা জনরোষ। তৃণমূল নেতাদের সামনে পেলেই দীর্ঘদিনের চেপে থাকা রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। যার পরিণতি, দিকে দিকে চোর স্লোগান, হামলা, ইটবৃষ্টির ঘটনা। শনিবার সোনারপুরেও তাঁর অন্যথা হয়নি। তৃণমূলের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসায় সঞ্জু কর্মকারের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হলেও স্থানীয়রাই বলছেন অন্য কথা। তাঁদের দাবি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে নিহত যুবকের বাড়িতে গিয়েছিলেন, তিনি অসামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বছরের পর বছর বিভিন্নভাবে স্থানীয়দের হেনস্তা করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, ব্রেনস্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে সঞ্জুর। শনিবার সঞ্জু ও অভিষেক, দুজনের বিরুদ্ধে জমে থাকা ক্ষোভের জেরেই ডিম হামলা। 

Advertisement

সোমবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে অভিষেকের নাম না করলেও হামলা প্রতিবাদ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমজনতার ক্ষোভ আছে। তৃণমূলের নেতা-বিধায়ক-সাংসদরা জনরোষের মুখে পড়ছেন। কিন্তু আমি বলব, আইন হাতে তুলে নেবেন না। পুলিশ রয়েছে, তাঁদের নিজেদের কাজ করতে দিন।” এরপরই তৃণমূলকে বিঁধে তিনি আরও বলেন, “একটা উঠে যাওয়া পার্টি, ফলতায় চতুর্থ হয়েছে। বাংলার রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। দলের যারা দুর্নীতি করছে, তাঁদের সকলের শান্তি হবে। আপনারা কেউ আইন হাতে নেবেন না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.